মেদিনীপুর লোকাল। পর্ব ১৭। বাড়িওয়ালা। লিখছেন আদিত্য ঢালী
বেশ কিছু পর্ব আগে কোনো এক পর্বতে একবার প্রসঙ্গক্রমে এসে গিয়েছিল আমার বাড়িওয়ালার কথা। তখন…
বেশ কিছু পর্ব আগে কোনো এক পর্বতে একবার প্রসঙ্গক্রমে এসে গিয়েছিল আমার বাড়িওয়ালার কথা। তখন…
কুমোর পাড়া থেকে ভেসে আসা হাঁড়ি পেটানোর আওয়াজে ঘুম ভেঙে যেতো। বুঝে যেতাম ভোর হয়েছে।…
“পাশের ঝোপে শিব মন্দির খুব গোপনে ফুটছে জবা বাতাস বহে বাঁশের শরীরঃ যাচ্ছে বেঁকে অসম্ভবা…
আমরা যতই অরাজনৈতিক বলে দাবী করি কিন্তু আদতে এই দুনিয়ায় কেউই অরাজনৈতিক নয়। রাজনীতি আমাদের…
রাস্তার পাশেই মাটির দেওয়াল আর খড়ের ছাউনির দোকান। দোকানের মুখটা গুড়ের বা তেলের টিন কেটে…
একটা সময় ছিল যখন কোনো বিয়ে বাড়ি গেলেই ভাবতাম এই বিয়ে করে নেওয়ার মধ্যেই বোধহয়…
মাঝে মাঝেই দেখতাম তিনি গেরুয়া পোশাক পরে এক কাঁধে গেরুয়া ঝোলা অন্য কাঁধে বড়ো করাত…
পিঠোপিঠি দুই ভাই হওয়ার কারণে আমি জ্যেষ্ঠ তাই মায়ের দুধের ভাগ ছেড়ে দিতে হয়েছিলো শৈশবেই।…
যখন স্কুলে পড়তাম সকাল সকাল ওঠার অভ্যেস তখন ছিল। রাত জাগা ছিল না। ফলে খুব…
ডোবার পাশে ছোটো ছোটো অসংখ্য তাল গাছ। কোনোটা সোজা হয়ে হাত পাঁচেক উঠেছে। কোনোটা বেঁকে…