কাশীর অলি-গলি : ইতিহাস-সমাজ-সংস্কৃতি। পর্ব ৪৬। শোভন সরকার

গত পর্বে: নিয়াল তিগিনের বারাণসী লুট, গহড়ওয়ালদের উত্থান এবং মুহম্মদ ঘোরীর হাতে পতন  — বারাণসী সাক্ষী রইল কত যুগান্তকারী ঘটনার। 

রাজা জয়চন্দ্রের পতনের পর বারাণসীতে আরও কয়েক বছর গহড়ওয়াল রাজবংশ নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখতে পেরেছিলেন। সুযোগ বুঝে তাঁরা আবার মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে ১১৯৭ খ্রিস্টাব্দে পুনরায় কুতুবুদ্দিন আইবক বারাণসী আক্রমণ করে গহড়ওয়ালদের পরাজিত করেন। ভারতীয় রাজনীতিতে সেটাই হয় গহড়ওয়ালদের অন্তিম যুদ্ধ। 

দ্বাদশ শতাব্দীর শেষে এসে গহড়ওয়ালদের পাশাপাশি সারনাথেরও দীর্ঘ ইতিহাসের বিরাম হল। কিন্তু ঠিক কী ভাবে? তুর্কো-আফগান সেনাদের আক্রমণ একটা অন্যতম যুক্তিসঙ্গত কারণ। বারাণসীর বহু উপাসনার স্থল ধ্বংস ও লুটের সাথে সাথে সারনাথের বৌদ্ধ বিহারও রক্ষা পায়নি। বৌদ্ধ বিহারের উপর আক্রমণের দু’টি কারণ থাকতে পারে বলে ঐতিহাসিকরা মনে করেন — এক, ধর্মান্ধতা। তুর্কো-আফগানরা মূলত ছিল মুসলিম এবং মূর্তিপূজার বিরোধী। নিজেদের অধিকৃত এলাকায় বিধর্মীদের মূর্তিপূজা চলতে দেওয়ার মত উদারতা তাদের ছিল না। কাজেই, বারাণসীর অসংখ্য হিন্দু মন্দিরের পাশাপাশি সারনাথের বৌদ্ধ বিহার তাদের কোপে পড়ে। সম্ভবত তারা হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মকে আলাদা বলে জানত না। সমকালীন গ্রন্থ হাসান নিজামীর লেখা ‘তাজ-উল-মা’আসির’ বলছে যে তুর্কো-আফগান সেনারা বারাণসীতেই সহস্রাধিক মন্দির ধ্বংস করেছিল। আর, দ্বিতীয় কারণ ধনসম্পদ। অনেক ঐতিহাসিক মূর্তিবিরোধিতার চেয়ে এটিকেই সারনাথ ধ্বংসের প্রধান কারণ মনে করেন। বারাণসীতে হিন্দু মন্দিরগুলি যেরূপ ধনসম্পদ সঞ্চয় করেছিল, বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা কয়েকশো’ বছর ধরে কোনোরূপ ধনসঞ্চয় করেনি, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।  

সারনাথের পতনের পেছনে কেবল তুর্কো-আফগান মুসলিমদের এককভাবে দায়ী করলে পক্ষপাতদুষ্টতা হবে। তাদের আক্রমণ এর তাৎক্ষণিক কারণ হলেও সারনাথের মৃত্যুফাঁদ তৈরি হয়েছিল অনেকদিন ধরেই। বিশেষজ্ঞরা এখানে বৌদ্ধধর্মের অধোগতি হিসেবে বিহারে সন্ন্যাসীদের নৈতিক অধঃপতন, ব্রাহ্মণ্যধর্মের প্রভাব, পৃষ্ঠপোষকতার অভাব, নিজেদের মধ্যে মতভেদ — বজ্রযান ও মহাযানের মতো বিভিন্ন সম্প্রদায়ের সৃষ্টি, ভক্তি আন্দোলন, ক্রমশ ব্রাহ্মণ্যধর্মে বৌদ্ধধর্মের আত্মীকরণ প্রভৃতি নানা বিষয়কে তুলে ধরেন। বৌদ্ধ ধর্মে এই সময় বজ্রযানী সম্প্রদায় অধিক প্রভাবশালী হয়ে ওঠে। রানী কুমারদেবী নিজেও বজ্রযানী বুদ্ধধর্মের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত, বজ্রযানী সন্ন্যাসীরা বামাচারী তন্ত্রে উৎসাহী হয়ে বলি, পঞ্চ ম-কার তথা মাংস, মীন, মদিরা, মুদ্রা ও মৈথুনে আসক্ত হয়ে পড়ে। বৃন্দাবনচন্দ্র ভট্টাচার্য লিখছেন, ‘বৌদ্ধতান্ত্রিকতার আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে বৌদ্ধসমাজ-বলেরও হীনাবস্থা লক্ষ্য করা গিয়াছে। … হর্ষের পর … কুমারিল ও শঙ্করাচার্য্য আবির্ভূত হইয়াছিলেন। তাঁহারা শুধু দার্শনিকবিচারে, বৌদ্ধগণকে পরাস্ত করিয়াই ক্ষান্ত হন নাই, শৈবমতের পুনরুজ্জীবন দান করিয়া, নানাস্থানে শৈবমঠ-মন্দিরাদিও স্থাপন করিয়া গিয়াছেন। সেই সময় হইতে শৈব ও শাক্তমত বিশেষভাবে প্রবল হয়ে উঠে। … সর্ব্বাপেক্ষা বৌদ্ধগণের মধ্যে নৈতিক অবনতির যে বিষ প্রবেশ করিয়াছিল তাহাই বৌদ্ধ-সমাজ দেহকে ক্রমে ক্রমে জর্জরিত করিয়া ফেলিতেছিল।’ 

ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজাণ্ডার ক্যানিংহ্যাম ও তাঁর অনুগামীরা ধারণা করেন যে সারনাথের ধ্বংসের পেছনে ছিল আকস্মিক অগ্নিকাণ্ড। প্রমাণ হিসেবে তাঁরা সারনাথে প্রাপ্ত ফেলে রাখা খাবার, পোড়া কাঠ ইত্যাদি চিহ্নের কথা উল্লেখ করেন। সারনাথের অন্যতম এক প্রত্নতত্ত্ববিদ মার্কহ্যাম কিটো লিখছেন, “সবকিছু লুটপাট করে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে—পুরোহিত, মন্দির, মূর্তি—সব একসঙ্গে। কোথাও কোথাও হাড়, লোহা, কাঠ, মূর্তি ইত্যাদি সবই গলে বিশাল স্তূপে পরিণত হয়েছে।” যদিও এই ধ্বংসাত্মক আগুন ঠিক কীভাবে লাগল সেটা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে — কেউ সরাসরি তুর্কো-আফগান আক্রমণকে দায়ী করছেন, কেউ বলছেন চক্রান্ত ও অন্তর্দ্বন্দ্ব, কেউ বা আবার একে নেহাতই এক দুর্ঘটনা বলে দাবি করছেন।

তুর্কো-আফগান আক্রমণের পর থেকে সারনাথের ব্যাপারে দীর্ঘকাল ইতিহাস নীরব থাকে। ক্রমে বারাণসীর স্মৃতিতে ঋষিপত্তন-মৃগদাব আবছা হয়ে আসে — সময় তার উপরে ক্রমে ক্রমে ঘাসের চাদর বিছিয়ে দেয়, রয়ে যায় কেবল কয়েকটি উঁচু ঢিবির ইঙ্গিত। 

সারনাথ মৌনতা অবলম্বন করলেও বারাণসী তখনও নানা ঘটনার ঘনঘটায় মুখর হয়ে রয়েছে। তবে সে আলোচনায় যাওয়ার আগে বারাণসীর স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গহড়ওয়াল যুগের যে বিশেষ অবদান রয়েছে তার উল্লেখ না করলেই নয়। গহড়ওয়ালরা নানা সমস্যায় জর্জরিত থাকলেও সেই সময়ে শিক্ষা-দীক্ষা চর্চার ক্ষেত্রে বারাণসীর গৌরব এক মুহূর্তের জন্যও মলিন হয়নি, বরং বহুলাংশে সমৃদ্ধ হয়েছে। রাজা গোবিন্দচন্দ্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন লক্ষ্মীধর ভট্ট নামে একজন পণ্ডিত ব্রাহ্মণ। লক্ষ্মীধর সেই সময়ে দাঁড়িয়ে ‘কৃত্যকল্পতরু’ নামে চোদ্দ কাণ্ডের এক বিস্তৃত নিবন্ধ সংগ্রহ রচনা করেন। এই গ্রন্থ মধ্যযুগীয় বারাণসী তথা হিন্দুধর্মের পুনর্জাগরণ ও গোবিন্দচন্দ্রের সাহিত্যপ্রেমের সুস্পষ্ট এক প্রমাণ। তৎকালীন হিন্দু সমাজের বিভিন্ন বিষয় সংক্রান্ত আচার-ব্যবহার, রীতি-নীতির বিশ্বাসযোগ্য প্রতিফলন দেখা যায় এই সংগ্রহে। রাজা গোবিন্দচন্দ্র লক্ষ্মীধরকে যথার্থরূপেই ‘সর্ববিদ্যাবিচার বাচস্পতি’ অভিধায় সম্মানিত করেন। এ ছাড়াও হিন্দুধর্ম ও তৎকালীন সামাজিক চিত্রের প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পণ্ডিত দামোদর ভট্টের ‘উক্তিব্যক্তি প্রকরণ’, আনন্দধরের ‘মাধবনাল্যাখ্যান’ প্রভৃতি গ্রন্থ গহড়ওয়াল যুগের অন্যতম অবদান। 

সেই সময় বার বার বহিরাগতদের আক্রমণে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উত্তর ভারতের বহু জ্ঞানী পণ্ডিত বারাণসীতে এসে বসবাস শুরু করেন। গুরু-শিষ্য পরম্পরায় মূলত বেদ, স্মৃতিশাস্ত্র, পুরাণ এর পাঠ দেওয়া হত। তবে এই সমস্ত সংস্কৃত শিক্ষার অধিকার কেবল ব্রাহ্মণ বিদ্যার্থীদের হাতেই কুক্ষিগত ছিল। এই ধরনের সংকীর্ণ মানসিকতা বা অব্রাহ্মণদের সংস্কৃত চর্চায় নাক সিঁটকানোর প্রবণতা আজও কাশীর ব্রাহ্মণ পণ্ডিতদের মধ্যে দেখা যায়। বিএইচইউ-তে পড়ার সময় আমি লক্ষ্য করে দেখেছি সংস্কৃত বিভাগে ব্রাহ্মণদের একনায়কত্ব; কিংবা, বিভিন্ন বিভাগীয় উঁচু পদে, বা গবেষকদের নির্বাচনে ব্রাহ্মণদের অগ্রাধিকার। ব্যতিক্রম হয়তো আছে, তবে ব্যতিক্রমকে মূলধারা হিসেবে গ্রহণ করা যায় না। শুধু শিক্ষাক্ষেত্রে নয়, এই ধরনের ব্রাহ্মণঘেঁষা শ্রেষ্ঠত্বের ধারণার প্রতিফলন দেখা যায় সমাজের নানা স্তরের মধ্যেও। সবক্ষেত্রে খোলাখুলি ভাবে না হলেও বা এক ঝলকে সেই বিভেদাচরণ বহিরাগতদের চোখে ধরা না পড়লেও এর অস্তিত্ব যে রয়েছে তা সামান্য সচেতন মানুষও বুঝতে পারে। 

গহড়ওয়াল যুগ সহ প্রায় সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে জাত-পাত, ছুতমার্গের প্রবণতা বারাণসীর হিন্দু সমাজের অনেকটা অংশ জুড়ে ছিল। বার বার আক্রমণ, নিজেদের অস্তিত্বের সংকট ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে কিছু শ্রেণীর মানুষ, বিশেষত ব্রাহ্মণরা, অত্যন্ত রক্ষণশীল হয়ে ওঠে, তাদের নিয়ম-নীতি, আচার-আচরণের বাঁধন আরও শক্ত হয়ে উঠতে থাকে। ধর্মকে ঘিরে কুসংস্কার ও ভয় জাঁকিয়ে বসে যায়। 

তবে গহড়ওয়ালদের সময়ে হিন্দু ধর্ম যে তার গৌরবের চরম শিখর স্পর্শ করেছিল, সে বিষয়ে সন্দেহ নেই। রাজাদের পৃষ্ঠপোষকতায় তখন শৈব ধর্ম বারাণসীর উচ্চতম সিংহাসনে আসীন হয় — কাশী হয়ে ওঠে শিবের শহর। বহু লিপিতে তাঁদের ‘শিবের পরম উপাসক’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পুরাণ অনুসারে বারাণসী শিবের ত্রিশূলের উপর সংরক্ষিত — প্রলয় একে স্পর্শ করতে পারে না। ত্রিশূলের তিনটি অগ্রভাগের উপর অবস্থিত বলে বারাণসীতে তিনটি উচ্চভূমি — এই বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে তিন পবিত্র ‘ক্ষেত্র’ বা ‘খণ্ড’ গড়ে উঠেছে। এদের নাম যথাক্রমে শহরের উত্তরভাগে ওঙ্কারেশ্বর খণ্ড, মধ্যভাগে বিশ্বেশ্বর খণ্ড এবং দক্ষিণভাগে কেদারেশ্বর খণ্ড। এই তিন খণ্ড কাশীর অন্যতম পবিত্র তীর্থযাত্রার অঙ্গ হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয় গহড়ওয়াল যুগেই। 

শৈব বলে তাঁদের সঙ্গে বৈষ্ণব ধর্মের কোনোরকম বিদ্বেষ ছিল না, বরং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আভাস পাওয়া যায়। গঙ্গা-বরুণা সঙ্গমে আদি কেশব মন্দিরটি গহড়ওয়ালদেরই অবদান। শুধু তাই নয়, এই স্থানে তাঁরা বহুসংখ্যক দানধ্যান করেছেন। রানি কুমারদেবীর প্রশস্তিলিপিতে রাজা গোবিন্দচন্দ্রকে বিষ্ণুর অংশ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। অন্যদিকে, সারনাথ ও আশেপাশের এলাকায় এই সময়ের কিছু জৈন মূর্তি থেকে অনুমান করা যায় যে এই যুগে দিগম্বর জৈনদের প্রভাব অধিক ছিল। 

গহড়ওয়ালদের রাজত্বকালকে বারাণসীর ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলে অনেক ঐতিহাসিক চিহ্নিত করে থাকেন। দ্বাদশ শতাব্দীর শেষে দেশীয় রাজাদের পারস্পরিক বিরোধিতার সুযোগ নিয়ে তুর্কো-আফগান সৈন্যরা ভারতবর্ষের বুকে যখন পাকাপোক্তভাবে নিজেদের আধিপত্য স্থাপন করল, তখন তুর্কী রাজনীতির পাশাখেলায় এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠল বারাণসী। ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে মুইজুদ্দিন মুহম্মদ ঘোরীর মৃত্যুর পর তাঁর দাস কুতুবুদ্দিন আইবক দিল্লির মসনদ অধিকার করে ভারতবর্ষে শুরু করলেন সুলতানদের রাজত্ব। 

মুইজুদ্দিন ও কুতুবুদ্দিনের বারংবার বারাণসী আক্রমণ ও এর উপর নিজেদের অধিকার স্থাপনের প্রক্রিয়াতে বারাণসীর চরিত্রে ভিন্ন ভিন্ন রঙের প্রলেপ লাগতে শুরু করে। এই দুই ব্যক্তিকে বারাণসী খুব একটা ভালোভাবে মনে রাখেনি। উন্মাদের মতো তাঁরা একের পর এক লুটপাট ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন। বারাণসীর মত সমৃদ্ধ অঞ্চলে অধিকার স্থাপনের লোভ বিভিন্ন সময়ে আমরা বিভিন্ন শাসকদের মধ্যে দেখেছি, কিন্তু এই দুইজনের আক্রমণের অভিঘাত ছিল গভীরতর। একের পর এক অমুসলিম ধর্মীয় স্থান লুটপাট ও ধ্বংস করে তারই ভগ্নাংশ দিয়ে ঠিক সেই স্থানে মসজিদ নির্মাণের মত চরমতম নিষ্ঠুরতা সেই সময়ের ভারতবর্ষের ইতিহাসে ছিল বিরল এবং অভূতপূর্ব। গহড়ওয়ালদের সময়ে বারাণসীতে প্রচুর মন্দির নির্মিত হয়। সেই সময়ের গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্দির যেমন বিশ্বনাথ, কৃত্তিবাসেশ্বর, অবিমুক্তেশ্বর, আদি মহাদেব, সিদ্ধেশ্বর, যাজ্ঞবল্ক্যেশ্বর, কপিলেশ্বর প্রভৃতির অস্তিত্ব মুছে দিয়ে সেইসব স্থানেই নির্মাণ করা হয় হনুমান ফাটকের আড়াই কাংড়া মসজিদ, চৌখাম্বার চৌবিসা খাম্বা মসজিদ, গুলজার মহল্লার মকদুম সাহেবের কবর, চেৎগঞ্জের গঞ্জ-ই-শহীদার মতো মসজিদ। কিন্তু কেন এরূপ উন্মত্ততা? নানা ঐতিহাসিক নানাভাবে এর ব্যাখ্যা খোঁজার চেষ্টা করে গেছেন।

(ক্রমশ)

পরবর্তী পর্ব

প্রথম অধ্যায় কালভৈরবের সন্ধানে প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় অধ্যায় ঘাটে ঘাটে প্রথম পর্ব

তৃতীয় অধ্যায় ফিরে দেখতে যাওয়া প্রথম পর্ব

Disclaimer
The views and opinions expressed in this series are solely those of the author and do not represent the views, policies, or positions of any organisation, institution or society of any kind or the government. The content of this series is written in the author’s personal capacity and does not reflect any official information or stance.

Author

Leave a Reply