কাশীর অলি-গলি : ইতিহাস-সমাজ-সংস্কৃতি। পর্ব ৩৫। শোভন সরকার

গত পর্বে: মানমন্দির ঘাটের বিশাল মহল, আশ্চর্য যন্তর-মন্তর আর রহস্যময় বারাহী দেবীর মন্দির দেখে চলেছি পরের গন্তব্যে।

জরাসন্ধেশ্বর শিবের নামে মীর ঘাটের আগের নাম ছিল জরাসন্ধ ঘাট। কাছেই অবস্থিত বৃদ্ধাদিত্যর মন্দিরের নামে আবার এক সময় এই ঘাটের এক অংশ বৃদ্ধাদিত্য ঘাট নামেও পরিচিত ছিল। গণপৎ রাই খেমকা নামে এক বাঙালি স্বদেশ থেকে আসা বিধবাদের জন্য এখানে ভজন আশ্রম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলে জানতে পারি। ১৭৩৫ সালে যখন মীর রুস্তম আলী কাশীতে ফৌজদার হয়ে আসেন, তিনি এই ঘাট এবং ঘাটের উপর এক বিশাল দুর্গ নির্মাণ করেন। তার কারণে এই ঘাটের নাম হয় মীর ঘাট। এ ছাড়াও যে মীর রুস্তম আলী কাশীকে সাংস্কৃতিক দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ করে তুলেছিলেন সে কথা বুধোয়া মঙ্গলের কথা আলোচনা করতে গিয়েই বলেছি। কিন্তু ইতিহাস আমাদের ক্ষমতা, গর্ব নিয়ে পরিহাস করার সুযোগ কখনও ছাড়ে না। পরবর্তীতে কাশীরাজ বলবন্ত সিং মীর ঘাটের সেই দুর্গটি ভেঙে তারই মালমশলা দিয়ে গঙ্গার অপর দিকে তাঁর গর্বের প্রতিরূপ রামনগর দুর্গের নির্মাণ করেন। 

এই ঘাটের কাছেই রয়েছে অন্যতম শক্তিপীঠ দেবী বিশালাক্ষীর মন্দির। বলা হয় এখানে সতীর মুখ পড়েছিল। কাশীর গৌরী-কেদারেশ্বর মন্দির ছাড়া এই হল অপর একটি মন্দির যা দক্ষিণ ভারতীয়, আরও স্পষ্ট করে বললে, তামিল শৈলীতে নির্মিত। এই মন্দিরে প্রচুর সংখ্যায় দক্ষিণ ভারতীয় যাত্রীরা আসেন। মাদুরাইতে মীনাক্ষী এবং কাঞ্চিপুরমে কামাক্ষী দেবী দর্শনের পর কাশীর বিশালাক্ষীর দর্শন ছাড়া তাঁদের যাত্রা অপূর্ণ থেকে যায় বলে তাঁরা মনে করেন। কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরের খুব কাছেই থাকা এই মন্দিরটি হিন্দুদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশালাক্ষীকে মহামায়া আদ্যাশক্তি, কাশীপীঠের অধিশ্বরী বলে মনে করা হয়। বলা হয়, এখানেই নাকি স্বয়ং বিশ্বনাথ রাতের বেলায় বিশ্রাম করতে আসেন। 

মন্দিরের গর্ভগৃহে কালো পাথরে নির্মিত দেবীর দুইটি বিগ্রহ। মন্দিরের মহন্তের কথায়, আদি বিগ্রহটি স্বয়ম্ভূ এবং এর এত তেজ যে তার কারণে সাধারণ মানুষ দেবীকে প্রত্যক্ষ করতে পারত না। এই কারণে আদি বিগ্রহটিকে একটু আড়ালে রেখে তারই প্রতিবিম্ব স্বরূপ নবতর বিগ্রহটি শঙ্করাচার্য এখানে প্রতিষ্ঠা করেন। এই মন্দিরের অপর অংশে রয়েছে অষ্টধাতুতে তৈরি বিশালাক্ষীর অপর একটি মূর্তি। তবে এটি বছরে কেবল একবার বিজয়া দশমীর দিন শৃঙ্গার ও জনসাধারণের দর্শনের জন্য বাইরে আনা হয়। 

মীর ঘাট থেকে উত্তরে এগোলে ললিতা ঘাট। একবার ভোরবেলায় ঘাট বেয়ে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছে গেলাম এখানে। ললিতা দেবীর মন্দিরের নামে এই ঘাটের নামকরণ করা হয়েছে। ঘাটে এসে আমার চোখ আটকালো এই ঘাটের রাজকীয় স্থাপত্যশৈলীতে। ভোরের আলোয় বেলে পাথরের তৈরি সেই প্রাসাদোপম বাড়িটি আমার মনকে ক্ষণিকের জন্য হলেও মোহিত করে তুলল। দেখলাম সেখানে লেখা রয়েছে ‘শ্রী রাজরাজেশ্বরী মন্দির’। অবশ্য মোহিত হওয়ার তখনও বাকি ছিল। ঘাটটির এক পাশে একটু উপরের দিকে আরও একটি দৃশ্য আমার চোখে পড়ল। তারই অমোঘ আকর্ষণে থাকতে না পেরে একটা খুবই ছোট দরজা দিয়ে ঢুকে একটা খাড়া সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গেলাম। উপরের চাতালে পৌঁছাতেই যেন এক ঝাঁক সৌন্দর্য ডানা মেলে উড়ে বেড়াতে লাগলো আমার চোখের সামনে — বিশাল অশ্বত্থ গাছ পাতার ছাউনি মেলে ডান দিকের প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে, তারই ছায়ায় সম্মুখে গাঢ় রক্তিমাভার সাথে মেঘবরণ মিশিয়ে পোড়া মাটি, পাথর ও কাঠের তৈরি এক বাড়ি আশ্চর্য শান্ত, স্নিগ্ধ চেহারা নিয়ে অর্ধোন্মিলিত চোখে যেন ধ্যান করছে। এ হল নেপালের পশুপতিনাথ মন্দিরের আদলে তৈরি নেপালি মন্দির। এখানেও পশুপতিনাথ তাঁর অপার স্নেহার্দ্র গাম্ভীর্য নিয়ে বিরাজমান। স্থানীয়ভাবে অনেকে ললিতা ঘাটকে নেপালি ঘাটও বলে থাকেন। 

নেপালি মন্দিরের আরও কিছু ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে। পোশাকি নাম শ্রী সম্রাজেশ্বর পশুপতিনাথ মহাদেব মন্দির। কাঠের অসাধারণ কারুকার্যমণ্ডিত বলে একে কাঠওয়ালা মন্দিরও বলে।  মন্দিরের গায়ে যে সমস্ত বিচিত্র ও সূক্ষ্ম নকশা কাটা রয়েছে তাতে স্থানে স্থানে শৃঙ্গার রসের আধিক্য দেখা যায়। এই দিক থেকে এর সাথে খাজুরাহোর মিল থাকায় নেপালি মন্দিরকে অনেকে আবার মিনি-খাজুরাহোও বলে থাকে। 

১৮৬০-এর দশকে স্যামুয়েল বোর্নের তোলা নেপালি মন্দিরের ছবি

অষ্টভূজাকৃতি বেদীর উপর দাঁড়িয়ে থাকা মন্দিরের গঠনশৈলীতে তান্ত্রিক আচারের প্রভাব স্পষ্ট। গর্ভগৃহের চতুর্দিকে চারটি প্রবেশদ্বার। প্রতিটি দরজায় নানা দৈবমূর্তির সাথে সাথে ফুল, সাপ, করোটির চিহ্ন খোদাই করা আছে। উত্তরের দেওয়ালে দেখা যায় অষ্টাদশভূজা মহিষাসুরমর্দিনী মূর্তি। তন্ত্রাচার ছাড়াও এই মন্দিরে অন্যান্য দেবদেবী, যেমন সূর্য, বিষ্ণু, গণেশ, বৈষ্ণবী, দুর্গা, বারাহী, ব্রাহ্মণী, মহেশ্বরী, কৌমারী, ইন্দ্রাণীর চিত্র চোখে পড়ে। 

তবে এই মন্দিরটি বিশেষ পুরোনো নয়। ১৮০০ সাল থেকে ১৮০৪ অবধি নেপালের রাজা রানা বাহাদুর শাহ নিজ দেশ থেকে নির্বাসিত হয়ে কাশীতে অতিবাহিত করেন। এই সময়ে তিনি মণিকর্ণিকার কাছেই গঙ্গার ধারে নেওয়ারি ধাঁচে তাঁর আরাধ্য দেবতা পশুপতিনাথের মন্দিরটির কাজ শুরু করেন। কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই তিনি আবার নেপালে ফিরে যান। কিছুকালের মধ্যেই তাঁকে হত্যা করা হয়। এর আরও কয়েক দশক পর রাজার সন্তান গির্বাণ যুদ্ধ বিক্রম শাহ দেব তাঁর পিতার অসমাপ্ত কাজ সম্পূর্ণ করেন। ১৮৪৩ সালে কাশী নরেশ এই মন্দির ও সংলগ্ন জমিটি তৎকালীন নেপালের রাজাকে হস্তান্তরিত করে দেন। এখনও এই মন্দির, পাশেই অবস্থিত সিদ্ধগিরি মঠ ও নেপালের রানী রাজরাজেশ্বরী দেবীর নামে রাজরাজেশ্বরী মন্দির প্রভৃতির পরিচালনা নেপাল সরকারের গুঠী সংস্থান করে থাকে। একটু আগে যে ‘শ্রী রাজরাজেশ্বরী মন্দির’ লেখা রাজকীয় বাড়িটির উল্লেখ করেছি তা নেপালের রাজপরিবারেরই অবদান। 

সেই ভোরবেলায় আমি যখন এই মন্দিরে প্রথম গিয়েছিলাম তখনও কাশী করিডোর তৈরি হয়নি। তখনও বিশ্বনাথ মন্দিরে যেতে গেলে বেনারসের কত গলির গোলোকধাঁধা পেরিয়ে খুঁজে নিতে হত কাশীর অধিশ্বরকে। আজ ললিতা ঘাটের গায়েই পূর্বের আমরোহা (বা উমরাওগিরি ঘাট বা বাওলি ঘাট), জলশায়ী (বা জলসেন বা চিতা) ও খিড়কি ঘাটের স্থানে নির্মিত বিশ্বনাথ করিডোর জুড়ে দিয়েছে কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ও গঙ্গা ঘাটকে, আর তার মাঝখানে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে নেই বেনারসের শিরা-উপশিরা, পথ-হারানো অন্ধকার-সরু গলি, কত অতীতের গল্প। সবই চাপা পড়ে গিয়েছে অত্যাধুনিক হর্ম্যতলে। আজকে তার উপর দিয়ে হেঁটে কেবল কাশী বিশ্বনাথ মন্দির নয়, বরং পশুপতিনাথ মন্দিরেও অতি সহজে পৌঁছানো যায়। পথ সুগম হয়েছে বলে এখন প্রচুর পর্যটক ও তীর্থযাত্রীরা কাশীতে আসছেন। সাম্প্রতিককালে যখন পশুপতিনাথ মন্দিরে আবার গেলাম, সেই প্রথম বারের নীরব তন্ময়তার বড্ড অভাব বোধ করলাম। সবাই ব্যস্ত তাদের ‘বাকেট লিস্ট’-এর ভার কমাতে। আমি এবার তাই বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারলাম না। বেরিয়ে এসে কাশী করিডোরের সুবিস্তৃত প্যাভিলিয়ন হাতের বাঁয়ে রেখে চললাম আরও সামনের দিকে মণিকর্ণিকা ঘাটের দিকে। 

বহু মানুষের প্রাণোস্ফূর্তির উৎসব ঠেলে এগিয়ে কাশী করিডোরের দেওয়ালের আড়াল সরে যেতেই পা পড়ল মণিকর্ণিকায়। জীবন থেকে মৃত্যুর দূরত্ব বোধ হয় কেবল এটুকুই — এক ঘাট থেকে অন্য ঘাটে যাওয়া; রামকৃষ্ণের ভাষায় মৃত্যু তো কেবল এ ঘর থেকে অন্য ঘরে যাওয়া, ডাক দিলেই আওয়াজ পৌঁছে যায়। মণিকর্ণিকা ঘাটে জীবন-মৃত্যু মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। এখানে একদিকে ছোট্ট শিশু কুকুর ছানার সাথে খেলতে জীবনের লীলায় মেতে ওঠে, আর তারই অনতিদূরেই চিতায় কোনো এক মৃতের নশ্বর দেহ ভস্ম হয়ে প্রকৃতির ধমনীতে মিশে যায় নবপ্রাণ সঞ্চারের উদ্যোগে। এই এক ঘাটে পৃথিবীর সৃষ্টি এবং প্রলয় — সৃষ্টির শুরুতে শ্রীবিষ্ণু এখানে জাগিয়ে তোলেন পবিত্র প্রাণবারি; আর কল্পান্তরে এখানেই মহাপ্রলয়ের আগুনে সমস্ত পবিত্র হয়ে ওঠে। 

তীর্থযাত্রীদের কাছে মণিকর্ণিকা ঘাটের গুরুত্ব শ্মশান ঘাট হিসেবে যতটা, তার থেকেও বেশি এই ঘাটের চক্রপুষ্করিণী কুণ্ড ও বিষ্ণুর পদচিহ্নের উপস্থিতিকে ঘিরে। শ্মশান ঘাট হিসেবে নয়, বরং অতীতে এখানে তীর্থযাত্রীরা আসতেন মূলত চক্রপুষ্করিণী কুণ্ডের জন্যই। এই কুণ্ড এক সময় এক বিশাল হ্রদ ছিল। কাশীখণ্ডে বলা হচ্ছে, উত্তরে সঙ্কটা ঘাটের কাছে হরিশ্চন্দ্র মণ্ডপ থেকে শুরু করে দক্ষিণে ললিতা ঘাট, এবং পশ্চিমে ব্রহ্মনালের কাছে ‘স্বর্গদ্বার’ থেকে শুরু করে পূর্বে মধ্যগঙ্গা পর্যন্ত এই হ্রদের বিস্তার ছিল। কাশীখণ্ডের এই বিবরণের সঙ্গে তুলনা করলে দেখি বর্তমানে কুণ্ডটি অত্যন্ত ছোট একটি জলাশয়, শ্মশান স্থলের উত্তরে মণিকর্ণিকা  ঘাটে গঙ্গা থেকে সিঁড়ি বেয়ে কিছুটা উঠেই একটি বাঁধানো জায়গা, চারিদিক লোহার বেড় দিয়ে ঘেরা। কেবল বর্ষা ও বর্ষা-পরবর্তী কয়েক মাস এখানে জল থাকে, বাকি সময় শুকনো। 

বর্তমানে আমরা যেখানে মণিকর্ণিকা ঘাট দেখি সেখানে নির্দিষ্টভাবে মৃতদেহ সৎকার শুরু হয় অনেক পরে। এর পেছনে রয়েছে তৎকালীন বেনারসের তথা সমগ্র উত্তর ভারতের এক সম্ভ্রান্ত ধনী ব্যবসায়ী ও অত্যন্ত প্রভাবশালী ব্যাঙ্কার লালা কাশ্মীরি মলের অবদান। তাঁর মাতৃবিয়োগ হলে তিনি হরিশ্চন্দ্র ঘাটে যান দাহকার্যের জন্য। কিন্তু সেখানে ডোমেরা অযৌক্তিকভাবে লালাজির কাছ থেকে প্রচুর অর্থ দাবি করে বসে। এরূপ অন্যায় দাবির কারণে লালাজির সঙ্গে ডোমদের প্রবল মতবিরোধ হয়। অবশেষে তিনি ক্ষুব্ধ ও দুঃখিত মনে মাতৃদেহ নিয়ে চলে আসেন মণিকর্ণিকা ঘাটে। সেখানে তিনি সমস্ত এলাকা কিনে নেন। কথিত আছে, এরপর তিনি গঙ্গার ধারে এক স্থান দাহকার্যের জন্য বেছে নিয়ে সেখানে স্বর্ণমুদ্রা বিছিয়ে তার উপর শবদেহ দাহ করার ব্যবস্থা করেন তাঁরই নির্বাচিত ডোম দিয়ে। তিনিই প্রথম মণিকর্ণিকা ঘাটে শবদাহের জন্য ডোমদের কর নির্দিষ্ট করে দেন।  

কুবেরনাথ সুকুল মনে করেন, এই ঘাটটিই কাশীর প্রথম পাথরে বাঁধানো ঘাট। ১৩০২ খ্রীস্টাব্দে কোন নাম না জানা দুই ভাই ঘাটটিকে পাথরে বাঁধিয়ে দেন। তখন সময়ের সাথে সাথে ঘাটের বাঁধানো অংশটি জীর্ণ হয়ে পড়ে। ১৭৩০ খ্রীস্টাব্দ নাগাদ মহারাষ্ট্রের সদাশিব নায়েক পেশোয়া বাজিরাও -এর সহায়তায় এই ঘাটের কিছু অংশ পুনরায় পাথরে বাঁধিয়ে দেন। পরে ১৭৯১ সালে ইন্দোরের মহারানি অহল্যাবাই হোলকার সম্পূর্ণ ঘাটের বহুল সংস্কার-সংযোজন করেন। ঘাটস্থিত রত্নেশ্বর শিব মন্দিরটি তাঁরই কীর্তি। তখন ঘাটের দুই অংশ ছিল — এক অংশে চলত দাহক্রিয়া, অপর অংশ ব্যবহৃত হত তীর্থযাত্রীদের স্নানঘাট হিসেবে। অহল্যাবাই মহিলাদের সুবিধার্থে এই স্নানঘাটের এক অংশে জেনানা নামে এক ঘাট নির্মাণের কাজে হাত দিলেও তাঁর মৃত্যুর জন্য তা অসম্পূর্ণ রয়ে যায়।  

মণিকর্ণিকা ঘাটকে ঘিরে জড়িয়ে আছে বেশ কিছু অসাধারণ পৌরাণিক কাহিনি। এখানে যে শিবের চেয়ে বিষ্ণুর প্রভাব এক সময় অধিক ছিল, তারও সাক্ষ্য দেয় এই কাহিনিগুলি।

(ক্রমশ)

প্রথম অধ্যায় কালভৈরবের সন্ধানে প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় অধ্যায় ঘাটে ঘাটে প্রথম পর্ব

Disclaimer
The views and opinions expressed in this series are solely those of the author and do not represent the views, policies, or positions of any organisation, institution or society of any kind or the government. The content of this series is written in the author’s personal capacity and does not reflect any official information or stance.

Author

Leave a Reply