কাশীর অলি-গলি : ইতিহাস-সমাজ-সংস্কৃতি। পর্ব ৪১। শোভন সরকার

গত পর্বে: রাজঘাটের মোহনায় গিয়ে আজও শোনা যায় কয়েক সহস্র বছরের কোলাহল। মাটি খুঁড়তেই একের পর এক স্মৃতি উঠে আসে। 

অনেক কাশী-গবেষক আর্য-অনার্যদের মধ্যে ছোট-বড় দ্বন্দ্বের কারণ কিংবা নিজেদের দেব-দেবীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার ইতিহাস খুঁজতে পৌরাণিক কাহিনিতে উঁকি দেন। রাজা দিবোদাস ও শিবের কাশী অধিকার নিয়ে দ্বন্দ্ব এমনই এক বহুল উদ্ধৃত কাহিনি। 

দিবোদাস কাশীর রাজা হওয়ার পর তিনি সমস্ত দেবদেবীকে সেখান থেকে বহিষ্কার করেন। পরে নির্বাসিত শিব একের পর এক দূত পাঠিয়ে অবশেষে গণেশের সাহায্যে পুণরায় কাশীতে প্রবেশ করেন। অনেক গবেষক মনে করেন, কাশীর ধর্মীয় ইতিহাসে যে একটা দীর্ঘ সময় শিবের কোনো অস্তিত্ব ছিল না, দিবোদাসের কাহিনি তারই রূপক। বৌদ্ধ বা বৈষ্ণব ধর্মের প্রভাব কাটিয়ে কাশীতে নিজের অধিকার জমাতে শৈবদের যে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায় এতে। আবার, প্রাচীন কাশীতে ‘যক্ষধর্ম’-এর স্বরূপ ঠিক কেমন ছিল সে ধারণাও করা যায়। 

শুধু পৌরাণিক কাহিনিতেই নয়, বিভিন্ন বোধিসত্ত্বের জীবন নিয়ে রচিত জাতকের বহু কাহিনিতে আমরা যক্ষ-যক্ষী, নাগ প্রভৃতির উল্লেখ পাই। দেখি এই সমস্ত লোকদেবতারা কীভাবে বোধিসত্ত্বের শরণ নিল এবং এক সময় ধর্মীয় মূলস্রোতে মিশে গেল। তাদের প্রাচীন উপাসনা পদ্ধতির নানা আচার-আচরণ আজও কিছু কিছু প্রায় অপরিবর্তিত রূপে চলে আসছে। ডায়না ইক মনে করছেন যে হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষেরা আজও বড় বড় গাছের গুঁড়িতে সিঁদুর লেপে, আর চারিদিক পরিক্রমা করে জল ছিটিয়ে সুতো দিয়ে ঘিরে দেয়; কিংবা, কোন এক পাথরের টুকরো বা দু’টি ইটের থান ঘিরে তৈরি ছোট মন্দিরে ফুল-ধূনো দিয়ে মাথা ঠেকায়; অথবা, কোন কুণ্ডে স্নান করে; আবার হনুমান বা গণেশের মূর্তিতে সিঁদুর মাখিয়ে দেয় — এ সমস্তই আর্যদের উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার পূর্বে থেকে চলে আসা যক্ষধর্মের মত অতি প্রাচীন লৌকিক ধর্মাচরণের রূপ। 

 

বারাণসীতে কয়েক সহস্র বছর ধরে জনবসতির ধারা প্রবহমান, সে বিষয়ে দ্বিমত নেই। সভ্যতার ইতিহাসে একটা সময় আর্যজাতির কিছু শ্রেণী সরস্বতী নদীর অববাহিকা ছেড়ে মধ্য-গঙ্গা উপত্যকায় এসে বসবাস শুরু করে, এবং স্থানীয় অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করে। এরকমই এক প্রয়াসে বারাণসীর মত এক গঙ্গাতীরবর্তী স্থানের যাত্রা শুরু। তবে ‘যাত্রা শুরু’ কথাটা এক্ষেত্রে একপাক্ষিক, কারণ আমরা এ ক্ষেত্রে আর্যদের আগমনকে বারাণসীর ইতিহাসের সূচনাকাল বলে ধরে নিচ্ছি। কিন্তু বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা থেকে উপলব্ধ তথ্য থেকে ধারণা করা হয় যে এখানে তাদের আগমনের পূর্বেও আদিম প্রস্তর যুগ থেকেই টুকরো টুকরো জনবসতি ইতিউতি ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। বর্তমান কালের চন্দৌলি জেলার বৈরাঠ এমনই এক স্থানের উদাহরণ। এসব স্থানে উন্নত হাতিয়ারের অভাব থাকায় স্থানীয় বাসিন্দারা তখন উৎপাদিত শস্যের চেয়ে উপলব্ধ প্রাকৃতিক সম্পদের উপর অধিক নির্ভরশীল ছিল। এরকম সময়েই এখানে আর্যদের আগমন হয়। এরা ছিল মূলত কৃষিজীবী। তারা সঙ্গে নিয়ে আসে তাদের নিজস্ব কলাকৌশল ও ধাতুর উন্নত ব্যবহার। এর প্রয়োগে তাদের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় জনজাতিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত হতে থাকে। ধীরে ধীরে ঘন বন পরিষ্কার করে চাষের জমি ও স্থায়ী বসতি স্থাপন করে। প্রথম দিকে বাড়ি-ঘর অত্যন্ত নিম্নমানের হলেও উন্নততর প্রযুক্তির উদ্ভাবনের সাথে সাথে তাদের বাসস্থানের মানও উন্নত হতে থাকে। প্রতি বছর তারা গঙ্গা-বরুণায় বন্যার সমস্যায় জর্জরিত হত সেটা তাদের বসতির চারপাশে পরিখা ও উঁচু মাটির দেওয়ালের নমুনা থেকে স্পষ্ট হয়। নদী যেমন জমিকে উর্বর, ভূমিকে ছোট-বড় জলাশয়ে সমৃদ্ধ করত, তেমনই বন্যার সময় অধিকাংশ নীচু এলাকা জলের তলায় চলে যেত বলে সেখানে স্থায়ী বসতি স্থাপন করা দুঃসাধ্য ছিল। সেই কারণে তাদের বসবাস রাজঘাটের উঁচু মালভূমিতেই সীমাবদ্ধ ছিল বহুকাল।  

নতুন বসতি স্থাপন করার ক্ষেত্রে কোনো জনজাতির সবচেয়ে বড় চিন্তা থাকে যে সেখানে দীর্ঘকালীন খাবারের উৎস মজুত আছে কী না। সে সমস্যার সমাধান হলে তবেই আর্থ-সামাজিক বিভিন্নতা, রাজনৈতিক প্রাধান্য, ধর্মীয় বিশ্বাস, শিল্পকলার বিকাশ প্রভৃতি অন্যান্য বিষয় তাদের চিন্তা-ভাবনায় স্থান পায়। এখানেও তাই হল। পরবর্তী কয়েক শত বছরের মধ্যে জীবনযাত্রার মানের সাথে সাথে জনসংখ্যা বাড়ল, নগরও বিস্তার লাভ করল। ব্যবসা-বাণিজ্যে গমগম করে উঠল, বহু জাতি ও পেশার মানুষ নগরে এসে ভিড় করল। শিক্ষা-দীক্ষার চর্চা শুরু হল। আইন-শৃঙ্খলা ও প্রতিরক্ষার জন্য সৈন্যদল তৈরি হল। বারাণসীর ঘন বন হয়ে উঠল বাণিজ্য-শিল্প-রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং ধর্মচর্চার এক মুখ্য কেন্দ্র। ভাবলে অবাক হতে হয় যে এই বারাণসী ‘গ্রাম’-কে একটা দীর্ঘ সময় অবধি প্রাচীন বৈদিক গ্রন্থাদিতে উল্লেখও করা হয়নি। পরবর্তী কালের কিছু ক্ষেত্রে উল্লেখ রয়েছে ঠিকই কিন্তু তাতে একে দেখানো হয়েছে হীন নজরে — এমন এক নগর যেখানে না যাওয়াই শ্রেয়! 

কিন্তু এ হেন বারাণসী কেন প্রাচীন ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জনপদ হয়ে উঠল সে বিষয়ে কৌতূহল হয়। আমাদের অনেকেরই মনে বারাণসীকে ঘিরে যে আধ্যাত্মিক চেতনা গড়ে উঠেছে তার থেকে ধারণা হয় যে ধর্মীয় মাহাত্ম্যই এই জনপদের উত্থানের মূল ভিত্তি। কিন্তু প্রথমেই আমাদের স্পষ্টভাবে বুঝে নেওয়া উচিত যে ধর্ম বারাণসীর উত্থানের আদি কারণ ছিল না। 

যে কোনো সভ্যতার ইতিহাস পড়তে গিয়ে আমরা জেনেছি যে নগর সভ্যতার উত্থানে নদীর এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে — টাইগ্রিস-ইউফ্রেটিস বা নীল নদ কিংবা আমাদের সিন্ধু নদ এরকমই কিছু নাম। বারাণসীর অঙ্কুরোদ্গম ও বিকাশে জলসিঞ্চন করেছিল গঙ্গা নদী। হিমালয়ের বুক বিদীর্ণ করে উদ্দাম গতিতে কত দুর্গম পথ পেরিয়ে গঙ্গা যখন এই অঞ্চলের সমতল ভূমিতে এসে পৌঁছায়, তখন সে ধীর-স্থির, গম্ভীর — যেন তার মধ্য-বয়সে এসে পড়া শান্ত ও সমাহিত এক নারী। এখানে এসে সে পলি ফেলে জমিকে উর্বর করে তোলে প্রতি বছর, ঊষরতার স্থান নেই এখানে। কৃষিজীবী মানুষদের কাছে স্থায়ী বাসস্থান গড়ে তোলার জন্য এর চেয়ে বড় কারণ আর কী-বা হতে পারে। 

 শুধু কৃষি নয়, একটা সময়ের পর বারাণসীর উত্থানের কাহিনিতে বাণিজ্যের গুরুত্ব কোনো অংশে কম নয়। উত্তরের দিকে বয়ে চলার সময় গঙ্গা এখানে তার গতিকে সংবরণ করেছে। নৌকা বাঁধার ক্ষেত্রে এ নাবিকদের বেশ পছন্দের জায়গা। উপরি সুবিধা হিসেবে এখানে বরুণা নদীও এসে পড়েছে। দূর-দূরান্তের পথে মালপত্র বয়ে নিয়ে যাওয়া বা আসার ক্ষেত্রে এরকম যোগ বাণিজ্যিকদের কাছে লোভনীয় তো বটেই। কাজেই বারাণসী বাণিজ্যের জন্য ক্রমেই অত্যন্ত সরগরম হয়ে উঠল। 

বসতি স্থাপনের জন্য যা যা প্রয়োজন, রাজঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় তার সবই ছিল — উর্বর জমি, অনুকূল আবহাওয়া, একদিকে গঙ্গা অন্যদিকে বরুণার নাব্য ও নিরবচ্ছিন্ন জলধারা, স্বাদু জলের অগণিত হ্রদ ও জলাশয়, নানাবিধ পশু-পাখি ও ফুলে-ফলে সমৃদ্ধ বনাঞ্চল। স্বাভাবিকভাবেই আখ্‌তার শান্ত নিরিবিলি আশ্রমকেন্দ্রিক স্বল্প জনবসতির পর রাজঘাট হয়ে উঠল প্রাচীন বারাণসীর নগরজীবনের কেন্দ্রবিন্দু। 

খ্রিস্টপূর্ব অষ্টম শতাব্দীতে রাজঘাটের বাড়িঘরগুলি মাটি দিয়ে তৈরি হত। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতাব্দী থেকে এখানে পোড়া ইটের সঙ্গে সঙ্গে চুনাপাথর, কাঠ ইত্যাদির ব্যবহার হতে দেখা যায়। নগরের চৌকাকৃতি বাড়িগুলির মধ্যে মধ্যে তিন-চারটে ঘর, খোলা উঠোন, কূপ, শৌচালয়, পয়ঃপ্রণালী প্রভৃতি নাগরিক সুবিধা এবং দু’টি বাড়ির মধ্যে সীমানার ফারাক করে দেওয়ার জন্য গলি চোখে পড়ে। পরবর্তী কয়েকশ’ বছর ধরে নাগরিক ব্যবস্থার আরও উন্নতি ঘটতে থাকে। 

খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক অধ্যায়। কৃষিক্ষেত্রে খাদ্য ও শস্যের অঢেল উৎপাদন, ধাতুবিদ্যায় দক্ষতা বৃদ্ধি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও যোগাযোগের বিস্তার — সব কিছু মিলিয়ে উত্তর ভারত এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে গেছে ততদিনে। ছোট ছোট আদিবাসী অধ্যুষিত জনপদগুলি রাজা-রাজ্য-সৈন্য সব মিলিয়ে হয়ে উঠেছে বড় বড় ‘মহাজনপদ’। প্রাচীন ভারতের ষোড়শ মহাজনপদের কথা আমরা ইতিহাস বইতে পড়েছি। এই ষোলোটি মহাজনপদের মধ্যে কাশী ছিল অন্যতম, বারাণসী ছিল সেই মহাজনপদের রাজধানী। মহাজনপদকালীন কাশীর আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক চরিত্রের ব্যাপারে জানার ক্ষেত্রে বৌদ্ধ সাহিত্য ঐতিহাসিকদের কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ — জাতকের কাহিনিমালা তার মধ্যে প্রধানতম। 

বিভিন্ন জাতকের কাহিনিসহ অন্যান্য সমকালীন গ্রন্থ থেকে আমরা জানতে পারি যে কাশীর মত সমৃদ্ধশালী মহাজনপদের অধিকার নিয়ে এর প্রতিবেশী অন্যান্য মহাজনপদগুলির মধ্যে লড়াই ছিল নৈমিত্তিক ব্যাপার। এই সময় মগধ ছিল অন্যতম এক শক্তিশালী মহাজনপদ। কাশীর অধিকার নিয়ে মগধ এবং কোশলের মধ্যে বহুকাল ধরেই একটা দ্বন্দ্ব চলে আসছিল। কোশলের রাজা মহাকোশল মগধের রাজা বিম্বিসারের সঙ্গে নিজের কন্যা কোশলাদেবীর বিবাহ দেন। বিবাহের উপহারে বিম্বিসারকে দিলেন কাশী নগর, শর্ত কেবল এই যে নগরের খাজনাটুকু রানির স্নান আর সুগন্ধীর খরচাপাতির জন্য দিতে হবে। কিন্তু পরিস্থিতি বদলে গেল যখন বিম্বিসারের পুত্র অজাতশত্রু পিতাকে হত্যা করে নিজে সিংহাসনে বসলেন। ওদিকে কোশলের সিংহাসনে তখন মহাকোশলের পুত্র প্রসেনজিৎ। তিনি অজাতশত্রুকে পরাজিত করে কাশীকে কোশলের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন। মজার ব্যাপার হল এই কাশীকেই আবার সন্ধি তথা বিবাহের উপহার হিসেবে অজাতশত্রুকে দান করেন প্রসেনজিৎ। 

বোঝাই যাচ্ছে কাশী মহাজনপদ ভারতবর্ষের মানচিত্রে রাজনৈতিক, ও অর্থনৈতিক দিক থেকে সেসময় এত গুরুত্বপূর্ণ স্থান করে নিয়েছিল যে কাশীকে নিজের অধিকারে রাখা যেন এক বিশেষ সম্মানের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়ে গিয়েছিল অন্যান্য শক্তিশালী মহাজনপদগুলির কাছে। 

তবে তার সঙ্গে এও বলা প্রয়োজন যে এভাবেই কাশী মহাজনপদ নিজের স্বতন্ত্র অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলল। কাশী কেবল অজাতশত্রুর শাসনকাল অবধি কোশল মহাজনপদের অংশ হিসেবে ছিল। অজাতশত্রুর পতন হলে পরে মগধ রাজ্য পুনরায় কাশীর দখল নিয়ে নেয়। 

কাশীর পরিচয় অন্য যে দিক দিয়ে শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করেছিল তা হল শিক্ষা। আর্যদের আগমনের সময়কাল থেকেই কাশীতে বিদ্যাচর্চার এক আলাদা পরিবেশ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। গুরু নিজের আশ্রমে শিষ্যদের রেখে তাদের বেদ সহ নানা ধরনের বিদ্যায় পারদর্শী করে তুলতেন। সমসাময়িক আরও একটি বিদ্যাশিক্ষার শ্রেষ্ঠ কেন্দ্র তক্ষশিলা এবং কাশীর মধ্যে শিষ্যদের যাতায়াত ছিল। একটা সময়ের পর তক্ষশিলা বাইরের আক্রমণে শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পর্যুদস্ত হয়ে পড়লেও কাশী নিজের ঔজ্জ্বল্য ম্লান হতে দেয়নি। 

এরকমই এক সময়ে কাশী মহাজনপদের এক প্রান্তে হরিণে ভরা শান্ত বনাঞ্চলে আগমন হল এক বিশেষ মানুষের। তাঁরই পদচিহ্নে চঞ্চল হয়ে উঠল সেই বন। এখানে বসে তাঁর বলা কিছু উপদেশের অনুরণন হল দিকে দিকে, ছড়িয়ে পড়ল সমগ্র বিশ্বে। সারা বিশ্ব এখন তাঁকে চেনে গৌতম বুদ্ধ নামে আর তাঁর প্রচারিত বৌদ্ধধর্মের আঁতুরঘর ছিল কাশীরই ঋষিপত্তন মৃগদাব, আজ আমরা যাকে ডাকি ‘সারনাথ’ নামে।

(ক্রমশ)

পরবর্তী পর্ব

প্রথম অধ্যায় কালভৈরবের সন্ধানে প্রথম পর্ব

দ্বিতীয় অধ্যায় ঘাটে ঘাটে প্রথম পর্ব

তৃতীয় অধ্যায় ফিরে দেখতে যাওয়া প্রথম পর্ব

Disclaimer
The views and opinions expressed in this series are solely those of the author and do not represent the views, policies, or positions of any organisation, institution or society of any kind or the government. The content of this series is written in the author’s personal capacity and does not reflect any official information or stance.

Leave a Reply