রুরাল লাইফ ইন বেঙ্গল। কোলস্ওয়ার্দি গ্রান্ট। পর্ব ২৮। অনুবাদে অর্ণব রায়
ধানচাষে নীলকরদের হস্তক্ষেপের ব্যাপারে আমার নিমন্ত্রণকর্তা মনে করেন, “আমাদের কাছে গুরুত্বের দিক থেকে ধান নীলের পরে আসে। ধান চাষ করে চাষীরা ছয় মাসের জমির ভাড়া দিতে পারে। বাকী বছরের ভাড়া আসে শীতকালীন শষ্য চাষ করে। আমরা যদি চাষীকে গলা চিপে ধরে আমাদের একছত্র নীলের চাষ করতে বাধ্য করি, যা তাকে ধ্বংস করে দেয়, তাহলে আমরা যে ডালে বসে আছি সেই ডালটাই কোপাচ্ছি না কি? আমরা যদি চাষীদের ওপর উন্মাদের মত নিষ্ঠুর নিয়মাবলী চাপিয়ে দিই তাহলে তারা কীভাবে আমাদের হয়ে জমিতে নীল চাষ করবে? কীভাবেই বা আমাদের ভাড়া চোকাবে? আমরাই বা জমিদারকে কীভাবে ভাড়া মেটাব? একথা ঠিক যে সব প্ল্যান্টার একরকম নয়। কিছু কিছু কঠোর প্ল্যান্টার আছেই। ঠিক যেমন জীবনের সব ক্ষেত্রে এবং সব পেশায় কঠোর পরিস্থিতি আছে। কিন্তু এইসব মানুষের বুদ্ধিমত্তা তাদের মানবিক গুনের থেকে কিছুমাত্র বেশী নয়, তাদের উন্নতিও এমনকিছু হয় না। মনে রাখতে হবে, সবরকম শ্রমের মধ্যে অনিচ্ছুক শ্রম সবচেয়ে ব্যায়বহুল।”
ধানের কথা যদি বলি, নীলচাষ করলে যে ফসলের সবচেয়ে ক্ষতি হয়, সেই ধান, মিঃ এফ-এর মতে, রায়তের সব ফসলের মধ্যে সবচেয়ে কম লাভজনক ফসল। তিনি বলেন, নীলচাষ করার ফলে ধানচাষের ওপর একমাত্র যে প্রভাব পড়েছে তা হল নীলের কারখানা ঘিরে দিনে দিনে যে জনসংখ্যা বেড়ে চলেছে, তাদের মুখে ভাত জোগান দেওয়ার জন্য চাষীদের ধানচাষে আরও বেশী পরিমানে যত্ন নিতে হচ্ছে, পরিশ্রম দিতে হচ্ছে। আর নীলের ব্যাপারে তার বক্তব্য, মানে তিনি তাঁর দৃঢ় বিশ্বাস আমাকে জানিয়েছেন, ন্যুনতম সততা, সাধারণ যত্নআত্তি, আর রায়তদের তরফ থেকে পরিশ্রম করে চাষটাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সদিচ্ছা, ব্যাস্, তাহলেই নীলচাষ অন্যান্য ফসল চাষের মতই লাভজনক। কিন্তু এরকম বহু উদাহরণ দেখা যায়, যেখানে রায়তদের উৎসাহের অভাবে আর নৈতিক মূল্যবোধের অভাবে এই ধরণের উদ্যোগ পুরোপুরি ধ্বসে গেছে। সত্যি কথা বলতে কি, বিষয়টা সম্পর্কে আমি যতদূর খবর জোগাড় করতে পেরেছি, আমার মনে হয়েছে, মাত্র তিনটি জিনিস এই সৎ ব্যবসায়ীক উদ্যোগে উৎসাহ ও পরিশ্রম করার উদ্যমের অভাব ঘটাচ্ছে। প্রথমঃ, এই রক্তচোষা মহামারী যার নাম ‘দস্তুরি’। এই দস্তুরির চক্রের তলায় পিষতে পিষতে বাংলার গরীব চাষীর মুখ থেকে বেরিয়ে আসে, এই সূর্যের নীচে মানুষের এই এত শ্রম, কী তার দাম? দ্বিতীয়তঃ, মহাজনের সাথে তাদের সম্পর্ক। আমি ইতিমধ্যেই দেখিয়েছি, এই দুষ্টচক্রটিও সমান মারাত্মক। আর তৃতীয়তঃ, এই অগ্রিম দেওয়ার ব্যবস্থা। এখন যদি রায়তরা বছরের চাষ একেবারে শেষ করে তার ফলটা ঘরে তুলতে পারত, তাহলে তাদের এই ফসলের পেছনে পরিশ্রম করার উৎসাহ বেশী পরিমানে পেত। সাথে সাথে প্ল্যান্টারের ফসলেও আরও বেশী পরিমানে মনোযোগ দিতে পারত। কিন্তু যেই তারা মহাজনের কাছ থেকে অগ্রিম টাকা নিয়ে নিচ্ছে, তার ফসলের এক দশমাংশ মহাজনের হয়ে যাচ্ছে। আর চাষ হতে না হতে মহাজন তার লোকজন নিয়ে তার ভাগের ফসলের প্রতিটি দানা বুঝে নিতে লোকলস্কর নিয়ে চাষীর দরজায় উপস্থিত হয়ে যায়। এদিকে চাষীরা খুব সম্ভবতঃ, খুব সম্ভবতঃ কেন, প্রায় নিশ্চিতভাবে ইতিমধ্যেই ঋণগ্রস্থ হয়ে রয়েছে। মহাজনের সাথে তারা যে বন্দোবস্ত এই বছর করছে, আর ফসল দিয়ে ঋণ শোধ করছে, সেই ঋণ আসলে গত বছরের।আর এই বাংলার গ্রামের চাষীরা, ঠিক তাদের শহুরে ভাই-বেরাদরদের মত, যাদের মুর্খামি বিষয়ে আমিই জামিন থাকতে পারি, অসাধারণ মাত্রায় অপরিনামদর্শী হয়ে থাকে। সে বেশ কয়েক মাসের জন্য, না, সম্ভবতঃ গোটা বছর বেঁচে থাকার জন্য যা সঞ্চয় করেছে, একটা বিয়ে বা উৎসবে তার সবটা উড়িয়ে দিতে পারে। মাননীয় মিঃ শোর, এদেশের মানুষের জন্য যার করুণা ও এবং সমস্ত বিষয়ে যার নিরপেক্ষতা প্রশ্নাতীত, এই বিষয়ে কথা বলার জন্য একজন যোগ্য মানুষ। তিনি মনে করেন, ‘অপরিনামদর্শিতা এদেশের মানুষের, বিশেষ করে দরিদ্র শ্রেণীর প্রধানতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। ঠিক যেরকম ইংল্যান্ডের চাষীদের ক্ষেত্রে ছিল, সেদেশে পয়সা জমানোর জন্য নানারকম প্রতিষ্ঠান, যেমন সেভিংস ব্যাঙ্ক বা বেনিফিট ক্লাব, এসব খোলার আগে। এদেশের লোকে করে কী, তারা ক্রমাগত পয়সা ধার নিতে থাকে। সে পয়সা শোধ করার কোনও বাস্তবসম্মত উপায় তাদের জানা নেই। এই টাকা তারা ধার নিচ্ছে বিয়েশাদি বা অন্যান্য অনুষ্ঠানে লোক খাওয়ানোর জন্য। লোক খাইয়ে বা অন্যান্য উপায়ে আমোদ প্রমোদ করিয়ে লোকেদের কাছে বাহবা নেওয়াটা তাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের ব্যাপার, তা সে ধার করেই হোক না কেন। আর মাঝে মাঝেই তারা দুই তিনজন আলাদা আলাদা লোকের কাছ থেকে একই সময়ে একসাথে অগ্রিম পয়সা নিয়ে থাকে। বিশেষ করে নীল-প্ল্যান্টারদের কাছ থেকে। আর এইভাবে প্ল্যান্টারদের ঠকে যাওয়ার ঘটনার সংখ্যা দিনে দিনে বেড়ে বিপুল হয়ে দাঁড়াচ্ছে।’
আরও এক জায়গায় মিঃ শোর মন্তব্য করেছেন, “বেশীরভাগ দরিদ্রশ্রেণীর দেশীয় মানুষ বাড়িতে বিয়েশাদি লাগলে বা অন্য কোনও অনুষ্ঠান থাকলে ভবিষ্যতে কী হবে তা একেবারেই ভাবে না। আত্মীয়স্বজন আর চেনাপরিচিতজনের প্ররোচনায় আর নিজের অহংকার থেকেও তারা তারা ক্ষমতার বাইরে গিয়ে দেখনদারি করে ফেলে, আর তার জন্য এমনভাবে টাকা ধার করে যে ঋণ তাদের বেশ কয়েক বছরের জন্য, কখনও সারাজীবনের জন্য আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে ধরে।’ এভাবে ঋণদাতার কাছে তাদের দেনা বেড়েই চলে। সেই ঋণ শোধ করার জন্য তখন তারা মহাজনের কাছে যায়। ফলে একজনের বদলে তাদের দুজন প্রভু হয়ে দাঁড়ায়। এখন একজনের কাছ থেকে ধার করা অর্থ শেষ হয়ে গেছে, আর একথা ধরে নেওয়াও খুব একটা ভুল হবে না, যে কারনে এই টাকা ধার নেওয়া, সেই ব্যাপারেও তাদের আগ্রহ কমে এসেছে। এদিকে আর একজনকে ক্রমাগত বুঝিয়ে সুঝিয়ে শান্ত রাখতে হচ্ছে যাতে সে তার সরবরাহ বন্ধ না করে। ফলে এখন রায়তের কাছে সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় সে কীভাবে এই দুই মালিকের মধ্যে তার সময় আর শ্রম ভাগ করবে। একদিকে মহাজন তার ফসলের ওপর নজর রাখার জন্য প্রভাব বিস্তার করতে থাকে (অন্ততঃ সে মনে করে এটা তারই ফসল)। অন্যদিকে প্ল্যান্টারকে প্রতি ৩০০ বিঘা জমিতে তিনজন করে মাঠের কর্মচারী রাখতে হয়, যাতে মাঠে বোনা নীলের অযত্ন না হয়, সেটা দেখার জন্য। আমার বন্ধু বলেন, “যদি রায়তরা সৎ হত আর তাদের ওপর নজরদারীর প্রয়োজন না থাকত, তাহলে আমি খুশিমনে আরও অনেক টাকা (প্রতিমাসে মোটামুটি হাজার টাকা) এই কাজে লাগাতে পারতাম। আরও অনেক অতিরিক্ত টাকা আমি তাদেরকেও নীলচাষ করার জন্য দিতে পারতাম। যদি না আমাকে শুধুমাত্র তাদের ওপর নজরদারী করার জন্য অপর একটি সংস্থাকে টাকা দিতে হত।”[1]
যদি নীল চাষ করে আরও বেশী পরিমানে লাভ থাকত, বা লাভের মুখ দেখার জন্য রায়তকে এত পরিশ্রম না করতে হত, তাহলে বোধহয় তারা এই ফসলটা চাষের প্রতি আর একটু যত্নবান হত বা অসততার লোভ পরিত্যাগ করতে পারত। কিন্তু কোনওরকম অসাধারণ ফল নীল চাষ করে আসে না। নীলচাষ অনিশ্চিত আর ফসলের পরিমানও এক এক বার এক এক রকম হয়। যদিও সেটা ধানের ক্ষেত্রেও হয়। তবে একটা সুবিধে রয়েছে, সারাবছরে চাষটাকে দুই ভাগে ভাগ করে নেওয়া যায়। কেননা যে মরশুমটা ধান চাষের পক্ষে ভালো, অর্থাৎ ভিজে ভিজে সময়, বর্ষাকাল, সেই সময়টা নীলচাষের পক্ষে খারাপ। আবার যে আবহাওয়াটা ধানের পক্ষে খারাপ, অর্থাৎ শুকনো আবহাওয়া, সেই সময় নীলচাষ করে চাষের খরচ পুষিয়ে নেওয়া যায়। দেখো, রায়তরাও পৃথিবীর সব দেশের চাষীদের মত চাষের পরিস্থিতির ওঠাপড়ার শিকার। তারাও প্ল্যান্টারদের মতই বিভিন্ন প্রাকৃতিক উপাদানের দয়ার ওপর নির্ভরশীল। একটা খারাপ মরশুম মানে প্রথম জনের ক্ষেত্রে খারাপ ফসল, দ্বিতীয় জনের কাছে কম নীল উৎপাদন। রায়তরা তার ওপর তাদের পরিশ্রম করার ক্ষমতার ওপরেও অনেকটা নির্ভরশীল। তা সে কোন মানুষটা নয়! কিন্তু যে বেচারারা সারাদিনে খানিকটা সেদ্ধ ভাত আর এক টুকরো মাছ খেয়ে বেঁচে থাকে, তাদের কাছে কী করে আমরা একজন পূর্ণশক্তির ইংরেজ চাষীর ক্ষমতা আশা করতে পারি, যে কিনা তার পেটের মধ্যে বোঝাই করে বেকন, ডিম, সবুজ সবজি, তার ওপর এক পাঁইট ঘরে তৈরি মদ ঢুকিয়ে বসে আছে? যদি তাই হয়, তাহলে বলতে হয়, মেঠো ইঁদুর আর মুশকো ষাঁড় একসাথে জোয়াল কাঁধে হাল টানবে অথবা, না খেতে পাওয়া দরিদ্র মানুষ হাতিয়ার দুলিয়ে ট্রয়ের যুদ্ধ করতে যাবে। ভারতের গ্রীস্মকাল বা বর্ষাকাল বসে বসে আগাছা কাটার জন্য নয়। ঘোর বর্ষার সময় চাষী চাষের থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছে, দেখতে ভালো লাগবে? তবে আমাকে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে যে এরকম প্রচুর রায়ত রয়েছে যারা সৎ এবং পরিশ্রমী। এবং প্রায় প্রত্যেক ক্ষেত্রেই দেখা গেছে (মরশুমি অনিশ্চয়তা বাদ দিলেও) তারা কিন্তু নীলচাষ করে অত্যন্ত সফল হয়েছে। আর অন্যদের অবস্থা হয়েছে ঠিক এর বিপরীত।
টীকা
[1] প্রায় বছর কুড়ি আগে মিঃ শোর ইংল্যান্ডে শ্রম বিষয়ক চুক্তি কতটা কঠোর হতে পারে সেটা বলতে গিয়ে বলেছিলেন, “ভারতে ব্যাপারটা সম্পুর্ণ আলাদা। একবার অগ্রিম দাদন দেওয়া হয়ে গেলে মালিক কিন্তু নিশ্চিন্তে হাত পা গুটিয়ে বসে থাকতে পারবে না, যে তার কাজটা ঠিকঠাক হয়ে যাবে। বা তার খেতটায় ঠিক সময়ে হাল দেওয়া হবে। যতক্ষণ না চাষের মরশুম শেষ হচ্ছে, হয় তাকে নয়ত তার লোকজনকে সারাক্ষণ সজাগ থাকতে হবে আর যারা কাজ করছে, তাদের খুঁচিয়ে যেতে হবে। এবং লক্ষ্য রাখতে হবে, যে টাকাটা তারা নিয়েছে, সেটা নয়ছয় করছে কি না, কোনও মেলা বা উৎসবে চলে গিয়ে সময় নষ্ট করছে কি না। আগেকার দিনে একজন প্ল্যান্টার করত কি, যে সমস্ত জমির মালিককে অগ্রিম টাকা দিয়ে রেখেছে, নীল বোনার সময় সাত থেকে আটটা ঘোড়া রাখত যাদের পিঠে চেপে তাদের জমির ওপর সারাক্ষণ নজরদারি করা হত। আর এত পরিশ্রম এত সাবধানতা সত্ত্বেও তার কিছু টাকা মার যেতই, যাদের টাকা দেওয়া হয়েছে তাদের অবহেলা আর অপরিনামদর্শিতার জন্য। অবহেলা আর অপরিনামদর্শিতা ইংল্যান্ডের দরিদ্র মানুষদেরও চরিত্রের বৈশিষ্ট্য, কিন্তু ঐ যে প্রতি শনিবার রাতে কাজ শেষ হয়ে যাওয়ার পরে টাকা দেওয়ার ব্যাপারটা থাকার ফলে পুরোটা নিয়ন্ত্রণে থাকে। ঐ যে একটা কথা আছে না, ‘আজ নাই তো খাবার নাই’, লোকে সেটা বিশ্বাস করে। কিন্তু যেখানে অগ্রিম টাকা দেওয়ার প্রথা চালু আছে, সেখানে পরিস্থিতি খুবই খারাপ। আর ভারতে এই নিয়ে এত বিচিত্র রকমের মামলা মোকদ্দমা হয় যেটা ইংল্যান্ডে বসে কল্পনাই করা যাবে না। এবং সেটাও হয় মালিকপক্ষের তরফ থেকে কোনও রকম ইচ্ছাকৃত বদমায়েশী ছাড়াই।
দুর্ভাগ্যক্রমে, অন্যান্য দেশের মতই, ভারতেও অসৎ লোকের সংখ্যা কিছু কম নেই। বহু কারিগর বা চাষী এরকম আছে যারা অগ্রিম টাকা তো নিয়ে নেয়, তাদের সময়ে কাজ শেষ করার কোনও ইচ্ছেই থাকে না। অন্যরা একসাথে দুই থেকে তিনজন মালিকের থেকে অগ্রিম নিয়ে বসে থাকে। যদিও তারা ভালো করেই জানে যে চুক্তি অনুযায়ী তারা কিছুতেই কাজ সম্পুর্ণ করতে পারবে না। আর আমার বলতে খুব খারাপ লাগছে, এই অভ্যাসটাকে আমাদের ব্রিটিশ ব্যবসায়ী বা নীলকর সাহেবরাও অনেক সময় তোল্লাই দিয়ে থাকে। তাদের মধ্যেও একটা উদবেগ কাজ করে, যাতে তার নিজের সংস্থাকে তুলে ধরা যায় আর পাশের সংস্থার ক্ষতি করা যায়। নিঃসন্দেহে অদূরদর্শী নীতি। এতদিনে তারা সেটা বুঝতেও পেরেছে। এখানে আবার আর এক রকমের আইনী জটিলতা সৃষ্টি হয়। যদি তারা অগ্রিম দাদন না দিয়ে ভাড়ায় শ্রমিক নিয়ে কাজ করাত, তাহলে এত সমস্ত জটিলতাও হত না, মানুষকে দারিদ্রের হাত থেকে বাঁচানোও যেত। ” – নোটস্ অন ইন্ডিয়ান অ্যাফেয়ার্স বাই দ্য অনারেবল ফ্রেডরিক জন শোর, জাজ, ফারাক্কাবাদ।
(ক্রমশ)
