সার্কাসের ইতিকথা : প্রান্তজনের করতালি। পর্ব ২৫। বরুণদেব

গত পর্বের পর

কর্ণওয়ালিস স্ট্রীটের কাছে শঙ্কর ঘোষ লেনের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান নবগোপাল মিত্র যখন হিন্দু স্কুলে ভর্তি হলেন সেখানে পেয়ে গেলেন ঠাকুর পরিবারের সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, গণেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে। দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের রক্ষণশীল ব্রাহ্ম চিন্তাধারায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে হিন্দু জাতীয়তাবাদকে পাথেয় করে হয়ে উঠলেন – ন্যাশনাল নবকুমার। মনোমোহন বসুর ‘মধ্যস্থ’ পত্রিকা্ সেই হিন্দু জাতীয়তাবাদের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে লিখেছিল – ‘হিন্দুরা একটি স্বতন্ত্র জাতি এবং হিন্দু জাতির অন্তর্ভূক্ত বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মিলনক্ষেত্রকে ‘জাতীয়’ নামে আখ্যাত করায় কোনই আপত্তির কারণ থাকিতে পারে না’। ‘ন্যাশনাল’ পেপারও একই ব্যখ্যা দিয়েছিল।

রাজনারায়ণ বসুর জাতীয় গৌরবেচ্ছা সমিতির যে প্রচারপত্র ন্যাশানাল পেপারে ছাপানো হয়, তাতে অনুপ্রাণিত নবকুমার মিত্র স্বাতন্ত্র্যবোধ ও স্বাবলম্বনকে বাঙালির জাতীয় উন্নতির পাথেয় করে নিয়ে নতুন দিশা দেখালেন। উদ্যোগ নিলেন জাতীয় মেলার। পাশে পেয়ে গেলেন দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুরকে-

‘নবগোপাল একটা ন্যাশনাল ধুয়া তুলিল; আমি আগাগোড়া তার মধ্যে ছিলাম। সে খুব কাজ করিতে পারিত। কুস্তি, জিমন্যাস্টিক্স প্রভৃতির প্রচলন করার চেষ্টা তার খুব ছিল; কিন্তু কি রকম কি হওয়া উচিত, সে সব পরামর্শ আমার কাছে থেকে লইত।‘

এই জাতীয় মেলাই পরবর্তীতে হিন্দু মেলা নাম নিয়ে জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছিল। আর্থিক সহায়তা ও উৎসাহ দিতে এগিয়ে এলেন রাজা কমলকৃষ্ণ বাহাদুর, বাবু রমানাথ ঠাকুর, বাবু কাশীশ্বর মিত্র, বাবু দুর্গাচরণ লাহা, বাবু প্যারীচরণ সরকার, বাবু গিরিশচন্দ্র ঘোষ, বাবু কৃষ্ণদাস পাল, বাবু রাজনারায়ণ বসু, বাবু দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর, পণ্ডিত জয়নারায়ণ তর্কপঞ্চানন, পণ্ডিত ভারতচন্দ্র শিরোমণি, পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি। ১৮৬৭-র চৈত্রসংক্রান্তিতে প্রথম অধিবেশন, চিৎপুরে রাজা নরসিংহ রায়ের বাগানবাড়িতে । তখন এ মেলার নাম-চৈত্র মেলা। পরবর্তীকালে নাম হয় হিন্দু মেলা। প্রথম অধিবেশনে দেশীয় শিল্প, সাহিত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি মল্লবিদ্যায় পারদর্শীদের নিয়ে প্রদর্শনী ও স্বদেশীয়দের মধ্যে ব্যায়াম শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়াকে এই মেলার উদ্দেশ্য বলে গ্রহণ করা হয়।  আশুতোষ দেবের বেলগাছিয়ার বাগানে মহাসমোরহে দ্বিতীয় অধিবেশন ১৮৬৮তে। গণেন্দ্রনাথ ঠাকুর বললেন মেলার উদ্দেশ্য নিয়ে- ‘ভারতবর্ষের এই একটি প্রধান অভাব যে, আমাদের সকল কার্য্যেই আমরা রাজপুরুষগণের সাহয্য যাচংগা করি, ইহা কি সাধারণ লজ্জার বিষয়! কেন আমরা কি মনুষ্য নহি?’

আত্মনির্ভর ভারতবর্ষ গড়ার উদ্দেশ্য নিয়ে হিন্দুমেলার প্রধান ও জনপ্রিয় প্রদর্শনী ছিল ব্যায়াম, কুস্তি, বাঙালির নিজস্ব ঘরানার শরীরচর্চা। নবগো[পাল মিত্রের হাত ধরে উঠে আসে বাঙালির প্রাতিষ্ঠানিক ব্যায়াম চর্চা। জাতীয়তাবাদ তার সর্বাঙ্গে ঘাম ঝরায়। প্রতি মেলায় সমকালীন মল্লবিদদের একত্রিত করে প্রদর্শনী। তাঁদের উপযুক্ত পারিতোষিক ও সম্মান প্রদান। বাংলার নিজস্ব কুস্তি, লাঠি খেলা, এক কাঁধ থেকে অন্য কাঁধে ঢেঁকি ঘোরানো, ঢেঁকিতে কাপড় বেঁধে দাঁত দিয়ে সে কাপড় ধরে মাথা ঘুরিয়ে ঢেঁকিকে ঘোরানো, বুকের ওপর চারখানা ইঁট রেখে ঢেঁকির মোনা দিয়ে এক আঘাতে চূর্ণ করা, মাটির মধ্যে দু’মিনিট সমাহিত হওয়া – নানান শারীরিক কসরত। ইউরোপীয় প্রণালী অনুসারী ব্যায়ামও বাদ গেল না। অশ্বারোহীর খেলাও এলো। এলো নৌকা বাইচ। হিন্দুমেলার এইসব আকর্ষণীয় ইভেন্ট এদেশীয় মানুষের মধ্যে উদ্দীপনা জোগালো, ভিড় করল সাদা চামড়ার দর্শকরাও। অনুপ্রাণিত হলো বাঙালি যুবক। কবিতা লেখা হলো-

‘বিদ্যা শিক্ষার সঙ্গে সঙ্গে শিখিলে যে ব্যা‍য়াম।

সুস্থ চিত্তে সুস্থ দেহে পাইবে আরাম।।

কেন বাঙ্গালীগণ এমন দুর্বল।

নীচেদের কায় শ্রম, তাই এমন।।

অন্য সব জাতি শ্রমে, সদাই আদরে।

তাই তারা নানা মতে সুখ ভোগ করে।।‘

 

নবগোপাল মিত্র শুধু হিন্দু মেলার ব্যায়াম চর্চার প্রদর্শনীতে আটকে রইলেন না। অনুভব করলেন, প্রাতিষ্ঠান ছাড়া  নিয়মিত ব্যায়াম চর্চা ও অনুশীলন সম্ভব নয়।  ১৩ নং কর্ণওয়ালিস স্ট্রীটে ক্যালকাটা ট্রেনিং একাডেমি ভবনে চালু করে দিলেন ন্যাশনাল স্কুল। ১৮৭২-র ১লা এপ্রিল। সে স্কুলে বৃহস্পতি ও শনিবার বেলা পাঁচটা থেকে সাড়ে ছটা পর্যন্ত থাকত শারীর শিক্ষার ক্লাস। সে ক্লাসের জন্য পারিশ্রমিক আট টাকা। সেখানে একজন বেতনভোগী ইংরাজ শিক্ষক শেখাতেন জিমন্যস্টিক্স। অশ্বারোহণের ব্যবস্থা হলো। মনোমোহন বসুর ‘মধ্যস্থ’ প্ত্রিকা লিখল-‘আগামী ইংরেজী মাস হইতে নেশনাল স্কুলে ঘোড়া চড়ার একটী নূতন শ্রেণী খোলা হইবেক। মাসিক বেতন ৫ টাকা মাত্র’।

লেফটেনান্ট গভর্নর অফ বেঙ্গল স্যর জর্জ ক্যাম্পবেল স্কুলশিক্ষায় শরীরচর্চাকে অন্তর্ভুক্ত করলে সরকারি স্কুলগুলিতে এলো জিমন্যাস্টিকসের সরঞ্জাম। স্কুলে স্কুলে উৎসাহের সঙ্গে শুরু হয়ে গেল জিমন্যাস্টিকসের ক্লাস। ১৮৭৩ সালে অমৃতবাজার পত্রিকা লিখল-

‘ক্যাম্বেল সাহেব আর যত অনিষ্ট করুন, তিনি আমাদিগকে শারীরিক ব্যায়াম চর্চা শিক্ষায় উৎসাহ দিয়া বিশেষ উপকার করিয়াছেন। ‘

নবকুমার মিত্রের জাতীয় ব্যায়ামশালা উৎসাহ দিলো ব্যায়াম চর্চা ছড়িয়ে দিতে। মির্জাপুর, সিমলা, শুঁড়িপাড়া, বেনিয়াটোলা, আহিরীটোলায় ব্যায়াম বিদ্যালয় গড়ে উঠল। বিভিন্ন কলেজে শারীর শিক্ষার শিক্ষক পদে যোগ দিলেন নবকুমারের ন্যাশনাল বিদ্যালয়ের ছাত্ররা। শ্যামাচরণ ঘোষ হুগলী কলেজের জিমন্যাস্টিক্স শিক্ষক হলেন। রাজেন্দ্রনাথ সিংহ হিন্দু স্কুলে, যোগেন্দ্রনাথ সিং হেয়ার স্কুলে জিমন্যাস্টিক্স  শিক্ষক পদে যোগ দিলেন। অখিলচন্দ্র চন্দ্র স্থানীয় জিমন্যাস্টিক্স আখড়ার অধ্যক্ষ হলেন। দু’চারজন মহিলা শিল্পী ছাড়া সার্কাসের অধিকাংশ পুরুষ শিল্পীরা এসেছেন ব্যায়াম বা কুস্তির আখড়া থেকে। যে ব্যায়াম চর্চা এক সময় ডানপিটে ছেলেদের কাজ বলেই সমাজে ধারণা ছিল, ব্যায়াম চর্চা স্কুলের সিলেবাসে ঢুকে গেলে, ব্যায়ামের আখড়াগুলি গড়ে উঠলে, সেইসব ডানপিটেদের কদর খানিক বেড়ে গেল। সেই অকর্মণ্য ছেলেরা কয়েকজন সরকারী স্কুলগুলিতে ব্যায়াম শিক্ষকের পদে নিযুক্ত হয়ে সমাজে ব্যায়ামচর্চার আগ্রহ ছড়িয়ে দিলেন। বিদ্যালয় জীবন থেকেই শিশু পরিচিত হয় সংস্কৃতির। সে সংস্কৃতি লালন পালন হলো ব্যায়ামের আখড়ায়। ধীরে ধীরে ব্যায়ামবীরদের সার্কাসে যোগ দিয়ে হাজার হাজার দর্শকের সামনে সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে খ্যাতি অর্জন করার মঞ্চ হয়ে গেল সার্কাস।

নবগোপাল মিত্রের জিমন্যাস্টিক্স স্কুলে যারা ভিড় করল তারা দেশীয় ব্যায়াম, লাঠিখেলা, ড্যাগার, তরবারি নিয়ে খেলার পাশাপাশি হরাইজন্টাল বার, প্যারালাল বার, সাহেবী স্কুলে প্রচলিত ব্যায়ামেও প্রশিক্ষণ পেল। নবকুমার নিজের সমস্ত অর্থ ব্যয় করলেন। আর্থিক পরিস্থিতি এমন জায়াগায় পৌঁছাল যে ক্যালকাটা কর্পোরেশনে লাইসেন্স অফিসারের কলমপেষা কেরানির চাকরি নিতে বাধ্য হলেন গ্রাসাচ্ছাদনের জন্য। কিন্তু নিজের স্বপ্ন থেকে, উদ্যোগ থেকে কখনও সরে আসেন নি। সর্বস্বান্ত হয়েছেন, ‘ন্যাশনালওয়ালা’ নামে সমাজের কিছু মানুষের অবজ্ঞার পাত্র হয়েছেন, তাঁর ছাত্ররা মাঝে মাঝে গুণ্ডা বদমাইসদের ঠাণ্ডা করে দিলে ধেয়ে এসেছে কটুক্তি,তবু তিনি লক্ষ্য থেকে বিচ্যুত হন নি। হিন্দু মেলার মাধ্যমে ব্যায়ামচর্চার ক্ষিদেটা ছড়িয়ে দিতে পেরেছিলেন নবকুমার মিত্র। তিনিই প্রথম বাঙালির মনে ঢুকিয়ে দিতে পেরেছিলেন সমাজের সর্বাঙ্গীন উন্নতি সাধনার এক প্রধান অঙ্গ হলো শরীর সাধনা।

এবং সার্কাস।

ওরা যদি পারে আমরা পারব না কেন? আমরা কম কিসে? এই যে জেদ, চ্যালেঞ্জ নেওয়ার সাহস, সারাজীবন এই মনোভাবই হয়ে উঠেছে নবগোপালের চালিকাশক্তি। সংকীর্ণতার ঊর্ধ্বে উঠে জাতীয়তাবাদের মন্ত্রোচ্চারণের মধ্যে দিয়েই উঠে এসেছিল বাঙালির প্রথম সার্কাস।

উনবিংশ শতাব্দীর ইউরোপীয় মাটিতে জন্ম নেওয়া আধুনিক সার্কাস-সংস্কৃতি এসেছিল ঘোড়ার পিঠে, এসেছিল যুদ্ধক্ষেত্রের এক  সৈনিক ফিলিপ অ্যাস্টলের হাত ধরে। নিবিড় শরীরচর্চার অনুশীলণে, চ্যালেঞ্জ নেওয়ার কঠিন কঠোর মানসিকতায়, জন্তু জানোয়ারের প্রশিক্ষণে, লালিত পালিত হয়েছে সে সংস্কৃতি। সার্কাস এক নিবিড় চর্চা। কোনো হুজুগে বিনোদন নয়। অষ্টাদশ শতাব্দীর মুর্শিদাবাদের মসনদী চক্রান্তের টালমাটাল বঙ্গের মাটিতে, ইংরেজ রাজত্বের চাবুক খেতে খেতে, নতুন শহর কলকাতার রাঁড়-ভাঁড়-সুরার সংস্কৃতিতে, যে ইতঃস্তত বিক্ষিপ্ত বাঙালির লাঠি, কুস্তির চর্চা, তাকে অবলম্বন করে সার্কাসের মতো এক সংস্কৃতির জন্ম দিতে গেলে, শারীরিক চর্চার প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশ দরকার, দরকার এক নায়কের, দরকার উদ্যোগের, দরকার সাহসের। নবকুমার মিত্র কোনোদিন যুদ্ধক্ষেত্রে যান নি। উনবিংশ শতাব্দীর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত মানুষ হয়ে, নবজাগণের শরিক হয়ে, শুধুমাত্র বৌদ্ধিক চর্চায় আবদ্ধ না থেকে শরীরকে অগ্রাধিকার দিয়েছেন, শরীরকে মন্দির ভাবতে শিখিয়েছেন, প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছেন সাহস, শরীরচর্চার আগ্রহ। প্রাতিষ্ঠানিক ব্যায়ামচর্চার প্রচলন করেছেন। ৭ই বৈশাখ, ১২৮০-র মধ্যস্থ পত্রিকার প্রতিবেদন সেই ঐতিহাসিক সত্যকে অভিবাদন জানায় –

‘স্বদেশহিতৈষী সহকারী সম্পাদক বাবু নবগোপাল মিত্র মহাশয়ই বঙ্গদেশে ব্যায়ামবিদ্যার প্রথম ও প্রধান প্রবর্তক। তাঁহার অবিচলিত অধ্যবসায় বলেই কয়েক বৎসর মধ্যে ইহা এতদূর উন্নত হইয়া উঠিয়াছে যে, লেফটেন্যান্ট গবর্ণর প্রভৃতি বড়ো বড়ো ইংরেজরাও হিন্দু ছাত্রবৃন্দের অঙ্গচালনা কৌশলে মহা মহা তুষ্ট হইয়াছেন।‘

আর সেই ব্যায়াম চর্চার হাত ধরে নবগোপাল স্বপ্ন দেখলেন সার্কাসের। নবগোপাল তখন প্রায় বৃদ্ধ। নিজের বসতবাড়িতে শুরু করলেন বাঙালির প্রথম সার্কাস। এবং কপর্দকশূন্য হলেন। সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন-

‘তিনি একটা অশ্বশালা খুলেছিলেন, তাকে সবাই বলত নবগোপালের সার্কাস, তাতে আমরা কেউ কেউ ঘোড়ায় চড়া শিখতে যেতুম।‘

সে সার্কাসের বর্ণনা দিয়েছেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর-

‘একটা গলিজ জায়গা; গিয়ে দেখি ছোট্ট একখানা তাঁবু ফেলেছে, কয়েকখানা ভাঙা বেঞ্চি ভিতরে, আমরা ও আরো কয়েকজন জানাশোনা ভদ্রলোক বসেছি। সার্কাস শুরু হলো। টুকিটাকি দুটো-একটা খেলার পর শেষ হবে ঘোড়ার খেলা দেখিয়ে। দেশী মেয়ে ঘোড়ার খেলা দেখাবে। দেখি কোত্থেকে একটা ঘোড়া হাড়গোড়-বের-করা ধরে আনা হয়েছে, মেয়েও একটি জোগাড় হয়েছে, সেই মেয়েকে সার্কাসের মেমদের মতো টাইট পরিয়ে সাজানো হয়েছে। দেশী মেয়ে ঘোড়ায় চেপে তো খানিক দৌড়ঝাঁপ করে খেলা শেষ করলে। এই হল দেশী সার্কস……সারা জীবন এই দেশী দেশী করেই গেলেন, নিজের যা-কিছু টাকাকড়ি সব ঐতেই খুইয়ে শেষে ভিক্ষেশিক্ষে করে সার্কাস দেখিয়ে গেলেন।‘

নবগোপাল সাহস জুগিয়েছিলেন। সেই সাহস সঞ্চারিত হয়েছিল পরবর্তী প্রজন্মে।নবগোপাল মিত্র কপদর্কশূণ্য হয়ে চলে গেলেন ১৮৯৪ সালে। ততদিনে বাঙালি পেয়ে গিয়েছে সার্কাসের এক অবিসংবাদি নায়ককে। প্রিয়নাথ বসু। ১৮৮৭তে প্রিয়নাথের দ্য গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস আলোড়ন তুলল বাঙালির জীবনে।

(ক্রমশ)

Author

Leave a Reply