রুরাল লাইফ ইন বেঙ্গল। কোলস্ওয়ার্দি গ্রান্ট। পর্ব ২৩। অনুবাদে অর্ণব রায়
জমিদারের কাছ থেকে চিরস্থায়ী রূপে জমি ইজারা নিলে তাকে বলা হয় পত্তনী। যে নেয় তাকে বলা হয় পত্তনীদার। সে যে শুধুমাত্র জমিদারকে অগ্রিম ভাড়া দিয়ে দেয় তা-ই নয়, একই জমির জন্য একটা ভালোরকম মূল্যও ধরে দেয়। লিজ দেওয়া হয় অল্প সময়ের জন্য। মোটামুটি তিন থেকে দশ বছরের জন্য। একে বলা হয় ইজারা। আর যে নেয় তাকে বলা হয় ইজারাদার। এরা কিছুটা ভাড়া অগ্রিম দিয়ে দেয় মালিককে। এছাড়াও দেয় সালামী বা অতিরিক্ত কিছু টাকা, বোনাস বলা যেতে পারে। উভয় ক্ষেত্রেই প্ল্যান্টার অপেক্ষাকৃত ছোট জমির টুকরোর মালিক হয়। সেই জমিদারীর সমস্ত অধিকার এবং সেই জমিদারীতে বসবাসকারী সমস্ত লোকজনের জানমালের অধিকার তার নামে হস্তান্তরিত হয়। সে ভাড়া দেয় জমিদারকে, জমিদার ভাড়া গুনে দেয় সরকারকে। এখানেও কিন্তু সেই একাধিক পার্টনার থাকার ফলে যে বিপদের কথা একটু আগে বলছিলাম, সেই বিপদের পুনরাবৃত্তি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জমির মূল মালিক যদি সরকারকে ভাড়া দিতে গাফিলতি করে, তাহলে তখন হতভাগ্য উপ-ভাড়াটের কী অবস্থা হয়? এরকমও হতে পারে যে একজন জমিদার তার জমিদারী বিভিন্ন রকম পত্তনীদারকে আলাদা আলাদা করে ভাড়া দিয়েছে। সেক্ষেত্রে তারা সবাই একজোট হয়ে সরকারকে তার ভাড়াটা দিয়ে দিল আর তারপর যখন জমিদারকে পরের বার ভাড়া দেওয়ার সময় এল, সরকারকে দেওয়া ভাড়াটা কেটে রেখে দিল। এরকম বাস্তবে হতেই পারে। কিন্তু যদি তাদের সবাইকে সময়ে না জানানো হয় বা তারা টাকাপয়সা নিয়ে তৈরি না থাকে বা সকলে একজোট হয়ে এই ব্যবস্থা মেনে নিতে একমত না হয় বা যদি অল্প কয়েকজন সকলের হয়ে ভাড়া দিয়ে দিতে রাজী না থাকে— তাহলে সকলের বলি চড়ে যাবে।
বাংলায় জমির মালিক বা জমিদার মূলত এদেশী লোক হন। আর এখানেই আমরা আর এক ধরণের শয়তানের মুখোমুখি হই। এই সম্মানীয় দেশী লোকেদের মামলা মোকদ্দমা নিয়ে মফঃস্বল কোর্টে টানাটানি হওয়ার ভয় এমনই যে তারা প্রায় কেউই নিজেদের জমিদারীতে বসবাস করেন না। তার ওপর রয়েছে নানারকম ছোটখাটো ব্যাপারে জমিদার হিসেবে মানসম্মান খোয়ানোর ভয়, ফলে তারা তাদের জমিদারী সামলানোর কাজ সবটাই এজেন্ট বা দালালদের হাতে ছেড়ে দেন। এইটা আরও আফশোসের বিষয়। কেননা এই জমিদারদের মধ্যে কিছু লোক আছেন যারা শিক্ষিত মানুষ। আর একথা আমার মনে না করিয়ে দিলেও চলবে যে শিক্ষা যদি এই সব মানুষদের ওপর প্রকৃতই কোনও প্রভাব ফেলে থাকে তাহলে তারা নিজেরা অকুস্থলে থেকে যেভাবে তাদের জমিদারীটা চালাতেন, তাতে নিশ্চিতভাবেই আমরা একটা উন্নত অবস্থা পেতে পারতাম। আর এবার আমি তোমাদের যে কথাটা বলতে চলেছি, তা থেকে ব্যাপারটা আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবে।
অতএব তোমরা দেখলে যে এই বাংলায় জমির মালিক হওয়া নানারকম সমস্যা ও বিপদে পূর্ণ। তোমরা আরও দেখলে যে প্ল্যান্টাররা, আর তার চেয়েও যেটা খারাপ ব্যাপার, রায়ত বা চাষীরা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই জমিদার নয় বরং তাদের থেকে নিম্নশ্রেণীর এক ধরণের মানুষের কৃপার ওপর নির্ভরশীল— তারা হল জমিদারের নায়েব বা দালাল। ফলে এর পর থেকে আমি যখন সাধারণ অর্থে জমিদারদের কথা বলব, এই ব্যাপারটা কিন্তু যত্ন করে মাথার মধ্যে রাখতে হবে।
অতএব প্রথমে ধরে নিই চাষের জমি রয়েছে দেশীয় জমির মালিকদের অধীনে। যারা, আমি ইতিমধ্যেই বলেছি, সরকারকে তিন মাস অন্তর খাজনা দেয়। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্ণওয়ালিস অত্যন্ত মানবিক উদ্দেশ্য নিয়ে রেভিনিউ সেটেলমেন্ট অ্যাক্ট-এর মাধ্যমে বাংলা ও বিহারের জন্য এই খাজনার পরিমান চিরস্থায়ী এবং অপরিবর্তনীয় করে দেন। সরকার যদিও প্রতি বছর জমির পরিবর্ধমান মূল্য বা ভূমির গুনমান ফসলের দামের বৃদ্ধি ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত সমস্ত রকম লাভ থেকে নিজেকে বঞ্চিত রাখছে, এতে করে কিন্তু যে লক্ষ লক্ষ শ্রমিক এইসব জমিতে শ্রম দিচ্ছে, তাদের কোনও উপকার হচ্ছে না। লাভ যা হয় তা জমিদারের হয়। তার ওপর করের বোঝা ভারী নয়। এমনকি খারাপ মরশুমেও তার ওপর সেরকম কোনও চাপ পড়ে না। আর যখন ভালো মরশুম চলে, তারা সবসময় লাভে থাকে। কেননা পরিস্থিতি যেমনই হোক, তারা কিন্তু চাষীদের থেকে কর বাবদ ফসল বা টাকা শুষে নিতে কসুর করে না। আর আমার মনে হয় না তাদের এই শোষণ কোনওরকম বিবেকের তাড়না বা প্রজাদের প্রতি স্নেহ ইত্যাদি দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। ফলে চাষীদের ওপর তাদের শোষন সর্বদাই অনিয়ন্ত্রিত। আমার বলতে খারাপ লাগছে, এর কোনও ব্যাতিক্রম নেই। কিন্তু আমি ইতিমধ্যেই দেখিয়েছি, যেখানে জমিতে পত্তনীদার রয়েছে সেখানে জমিদারই একমাত্র ব্যাক্তি নয় যার হাত থেকে জমি সরাসরি সেই জমিতে কাজ করা চাষীর হাতে যায়। ভাড়া উপভাড়া ইত্যাদি করে প্রায় আধডজন লোকের হাত ঘুরে সে জিনিস চাষীর কাছে পৌঁছোয়। স্বাভাবিকভাবে তারা প্রত্যেকেই এখান থেকে নিজের নিজের লাভটুকু তুলে নেয়। আর এ সমস্ত কিছুর মাশুল শেষ পর্যন্ত গোনে চাষী। আমি তোমাকে বোঝাচ্ছি কীভাবে।
সেই কোন আদিম যুগ থেকে গ্রামের জমি ‘নিরিখ’ বা মূল্যায়ন করে চাষী কত ভাড়া দেবে তা ঠিক করা আছে। ব্রিটিশ ভূমিরাজস্ব আইনও এই মূল্যায়নকে স্বীকৃতি দিয়ে রেখেছে। ফলে এর আর কোনও নড়চড় হয়না। এখন, চাষী দুই রকমের হয়— এক হচ্ছে খুদ-কস্ত বা স্থায়ী চাষি, যারা নিজের জমিতে নিজে চাষ করে আর হল কোর্ফা বা অস্থায়ী কৃষক, যারা এক জায়গা থেকে আর এক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়, যেখানে সুবিধে পায় জমি ইজারা বা ভাড়া নিয়ে চাষাবাদ করে, সুবিধে না পেলে সে জমি ফেলে চলে যায়। দ্বিতীয় ধরণের চাষীদের কাছ থেকে জমির মালিক যা খুশি ভাড়া চাইতে পারে। প্রথম ধরণের চাষীরা ১৭৯৩ সালের সেটেলমেন্ট চুক্তি অনুযায়ী নিজ ভূমিতে চাষাবাদ ও বসবাস করে। যতক্ষণ তারা জমিদারকে সময়মত কর ও অন্যান্য ভাড়া ইত্যাদি দিয়ে যাচ্ছে, আইনত কেউ তাদের সেখান থেকে উচ্ছেদ করতে পারবে না বা যথেচ্ছ কর বা ভাড়া বাড়াতে পারবে না। কিন্তু জমিদাররা কোনও না কোনও ভাবে ভাড়া বাড়িয়েই নেয়। ব্যাপারটা যে বেআইনি তা না বুঝেই বাড়ায়। যদিও তারা লাভ ওঠানোর জন্য অন্যান্য আরও নিরাপদ উপায়ের ওপর বেশী নির্ভর করে থাকে। এখুনি যে কেসটার কথা বললাম, ধরা যাক, ইজারা ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে যে ইজারাদার রয়েছে, যে কিনা অতিরিক্ত ভাড়া ‘জমা’ দিয়ে এবং এই জমিটা পেয়েছে, সে এই পুরো লেনদেনটা থেকে লাভ তোলার জন্য তার নীচের ভাড়াটের ওপর নানারকম সামাজিক ও ধর্মীয় চাপ সৃষ্টি করতে থাকে, যাতে করে তাদের কাছ থেকে পুরো বশ্যতা আদায় করা যায় এবং তাদের জান-মালের ওপর একই রকম দাবীদাওয়া কায়েম করা যায়। তোমাদের এই বিষয়টা ঠিকঠাক বুঝতে গেলে প্রায় পুরোটাই হিন্দু হয়ে যেতে হবে। প্রজাদের প্রতি গ্রামের জমিদারের আচরণ সম্পর্কে বলা হয়, “জমিদারের বাড়িতে সন্তান জন্মাক, সে সন্তানের মাথা মুড়ানো হোক, ছেলের বিয়ে হোক, মেয়ের বিয়ে দেওয়া হোক, এমনকি অত্যাচারী জমিদার বংশের কারোর মৃত্যু হোক, চাষীর ঘরে সর্বনাশ নেমে আসে। জমিদারের বাড়ির অনুষ্ঠান আনন্দের হোক দুঃখের হোক, চাষীর কাছে তা সমান হাহাকারের, সমান বিপর্যয়ের।”[1] বাস্তবের এই ভয়ানক ছবি, বিশ্বাস করা শক্ত হলেও, আজ থেকে পঁয়ত্রিশ বছর আগের আঁকা। কিন্তু আজকের চারপাশের পরিস্থিতেও সমান ভাবে প্রযোজ্য। প্রাচ্যের এই জগদ্দল ব্যাবস্থার মধ্যে যদি ইউরোপীয় শিক্ষা দিয়ে ভেঙে ঢুকে পড়া না হয়, তাহলে এই অচলাবস্থায় অবাক হওয়ার কিছু নেই। সাথে সাথে আমি এটা নিয়েও আশঙ্কায় আছি যে আমার লেখার মধ্যে বুঝি ভারতের সব মানুষকে এক দলে ফেলে দেওয়ার অনৈতিক প্রবণতা ঢুকে পড়ল, এবং আমি বলে বসলাম, এটাই এখানকার জনগনের সার্বিক চরিত্র। এটি দেশের অধিকাংশ মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হলেও কিন্তু সকলের চরিত্র এরকম, একথা বলা যায় না। আমার ক্ষেত্রে এই সাবধানতা অবলম্বন করা আরও জরুরী কারণ আমি আমার নিজের জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা থেকে কথাগুলো বলছি না। আমি যাদের অভিজ্ঞতা থেকে উধৃতি দিচ্ছি তাদের মতামত, যদি সততার সাথে প্রশ্ন করা যায়, তাহলে কিছুটা হলেও পাওনাদারদের দিকেই ঝুঁকে থাকবে। আর যদি কারোর মনে হয় যে সমাজের কোনও বিশেষ অংশ সম্পর্কে এরকম মন্তব্য করার সময়ই সতর্ক থাকা উচিৎ, তাহলে সার্বিকভাবে ‘ভারতের জনগন’ সম্পর্কে এরকম সাধারণ মন্তব্য করার ক্ষেত্রে কতটা সতর্কতা অবলম্বন করা উচিৎ তা ভালো করেই বুঝতে পারছ! মাননীয় মিঃ শোর (৩) তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজ নোটস্ অন ইন্ডিয়ান অ্যাফেয়ার্স-এ লিখেছেন, “এই যে লোকজন স্থানীয়ভাবে ও আধখেঁচড়াভাবে কিছু জিনিস দেখেই ভাষা সংস্কৃতি আচরণ ইত্যাদি সবকিছুর দিক থেকেই প্রায় সমগ্র ইউরোপের মত বিপুল বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশটা সম্পর্কে দুম করে সার্বিক একটা মন্তব্য করতে যায়, তাদেরকে কী-ই বা বলা যেতে পারে! বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন মানুষের মধ্যে ভালো ও মন্দ সমান অনুপাতে রয়েছে। এরকম সংখ্যাতীত উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে যেখানে শয়তানি ও সততা, অপরিচ্ছন্নতা ও পবিত্রতার অভ্যাস, দয়া ও নিষ্ঠুরতা, নৈতিকতা ও কামুকতা, নিম্নশ্রেণীর চালাকি আর শিশুসুলভ সরলতা, অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা ও ষাঁড়ের মত মুর্খতা, মিথ্যা ও সত্য, কাপুরুষতা ও সাহসিকতা, জ্ঞান ও অজ্ঞতা— সংক্ষেপে বলতে গেলে মানুষের মধ্যে যতরকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের কথা কল্পনা করা যায়, সব পাশাপাশি অবস্থান করে। এমনকি একই মানুষ ভিন্ন ভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পুর্ণ বিপরীত রকমের চরিত্র বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করতে পারে। সুতরাং এত বিশাল একটা দেশের সমস্ত বাসিন্দাদের একই রকমের চরিত্র বলে দাগিয়ে দেওয়াটা (হেবারের মতে) (৪) নিতান্তই অলসতা ও ফাঁকিবাজির নিদর্শন হবে।”[2] যাইহোক, এই মাননীয় জমিদার মশায়রা যদি রেলপথে যাতায়াত করে তাদের তালুক মুলুকের দেখভাল করেন তাহলে একটু আগে যে শয়তানের উল্লেখ করলাম তার প্রকোপ কিছুটা কমবে বলে আমরা আশা রাখতে পারি।
টীকা
[1] রংপুরের ওপরে মিঃ সিসন্স-এর রিপোর্ট। ১৮১৫। ভারতে ইউরোপীয়দের বসবাস সংক্রান্ত কাগজপত্র থেকে নেওয়া।
[2] ১৮৫৯। ভারতের নেটিভদের মধ্যে চরিত্রের যে কতরকম বৈচিত্র্য পাওয়া যায়, সাম্প্রতিক বিদ্রোহটির চেয়ে ভালো উদাহরণ আর কোথাও থেকে পাওয়া যাবে না। এই বিদ্রোহের সময় দেশীয় সৈনিকদের মধ্যে এত রকমের চরিত্রের লোকের দেখা পাওয়া গেছে, পৃথিবীর সব দেশের সবরকম লোকের মধ্যেও অত বৈচিত্র্য দেখা যায় না। যদি কানপুরের ঘটনা বিশ্বাসঘাতকতার সর্বোচ্চ নিদর্শন হয়, ঠিক একই সময় সেপাইদের একটা অংশের মধ্যে যে সম্মানজনক ব্যবহার দেখা গেছিল, তার তুলনা মেলা ভার। সমস্ত লোভ, সমস্ত বিপদ, সংকীর্ণতা, নিজের দেশের প্রতি টান, নিজের জাতের প্রতি টান— এত সব কঠিন বন্ধন ও আকর্ষণ উপেক্ষা করে তারা তাদের প্রভুদের প্রতি বিশ্বস্ত ছিল। তাও এমন একটা সময়, যখন সেই প্রভুদের শক্তি কমে আসছে বলে প্রতিভাত হচ্ছিল।
টীকা
৩। মিঃ শোরঃ জন শোর (১৭৫১-১৮৩৪) বাংলার গভর্ণর জেনারেল ছিলেন ১৭৯৩ থেকে ১৭৯৮ পর্যন্ত। তার বিখ্যাত বই নোটস অন ইন্ডিয়ান অ্যাফেয়ার্স (১৮৩৭) বাংলার কর ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, এদেশ শাসন করার জন্য ব্রিটিশদের নিয়মনীতি, এদেশের সমাজব্যবস্থা, এসবের ওপর গুরুত্বপূর্ণ লেখা। এই বইয়ে তিনি এদেশের শাসন ব্যবস্থায় ব্রিটিশ নিয়মনীতি অন্ধভাবে অনুসরণ করার বিরোধীতা করেন।
৪। হেবারঃ রেজিনাল্ড হেবার (১৭৮৩-১৮২৬) একজন বিখ্যাত অ্যাংলিকান বিশপ, হাইম লেখক ও মিশনারী ছিলেন। তার পরিচিতি মূলত ছিল কলকাতার বিশপ হিসেবে। তার গ্রন্থ ন্যারেটিভ অফ অ্যা জার্নি থ্রু দ্য আপার প্রভিন্সেস অফ ইন্ডিয়া (১৮২৮)-তে তিনি এদেশকে ব্রিটিশরা কী চোখে দেখত, এদেশের সংস্কৃতি আচার আচরণ জাতপাত ধর্ম ইত্যাদি বিষয়ে তাদের কী দৃষ্টিভঙ্গি ছিল, তা বিস্তারিত লিখেছেন।
(ক্রমশ)
