আহাম্মকের খুদকুড়ো । পর্ব ১ । লিখছেন দুর্লভ সূত্রধর

নিজস্ব বন্ধুটি বলেলন – ‘তোমার কিন্তু কথা বলা প্রতিদিনই কমে যাচ্ছে।

আহাম্মকটা বলল – ‘এটা ভালো লক্ষণ, কী বলো? ইদানিং তুমিও যেন একটু কম কথা বলছ!’

– ‘আহা, তা তো হবেই, এ-তো ভাইস-ভার্সা। তোমার বলা কমলে তো আমারও শোনা আর বলা দুই-ই কমবে, নয় কী!’

আহাম্মকটা ভাবলো, সেটা ঠিক। এই একা-বোকাটা আর যাবেই বা কোথায়, তাই বার বার ঘুরে ঘুরে নির্লজ্জ বেহায়ার মতো ভেতরে এসে বসে থাকে। ইচ্ছে না থাকলেও তাকে বলতে হলো – ‘কথা আর কী বলবো বলো? কাকেই বা বলবো? শোনার লোক কোথায়?

একা-বোকাটা ফিচেল হাসি দিয়ে বলল – ‘কেন! আকাশকে বলো, বাতাসকে বলো, নদীকে বলো! গাছপালাকে বলো।’

আহাম্মকটা ক্ষীণস্বরে বলল – ‘ন্‌না। আকাশকে বলার মতো ক্ষমতা নেই, বড্ড সুদূর গো। অবশ্য বাতাসকে বলা যায় – কিন্তু  সে-ব্যাটা এতো পল্যুটেড যে তার কান আর চোখ দুটোই একেবারে গেছে। নদীর কাছেও বলা যায় – কিন্তু নদী তো গতি হারিয়ে বিষ বয়ে কোনোরকমে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলেছে, কত নদী তো মোহনার উদারতা বা সাগরের ঠিকানাও হারিয়ে ফেলেছে। গাছের কাছে গিয়েও বলা যায় – কিন্তু গাছগুলো নিজেরাই এত অসুস্থ, কর্তনাশঙ্কায় সদাসর্বদা এত কম্পমান যে তাদের কথা কে ভাবে তার ঠিক নেই।’

তবু একা-একা বোকা-বোকা নিজস্ব বন্ধুটি বলেন – ‘জীবনের যাবতীয় খুদকুড়োকে যথাসাধ্য এক জায়গায় জড়াে করে রাখা ভালো।’

– ‘এসব কথা কে শুনবে বলো?’

–‘শুনলে ভালো, না-শুনলে তো আরও ভালো। তুমি তো বাপু কিছু ‘গজাল মেরে গোঁজাচ্ছ না, কিংবা ‘উইকিলিক্‌স্‌’-এর জুলিয়ান অ্যাসেঞ্জের মতো জনগণের সঙ্গে তাদের রাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণের বিশ্বব্যাপী সংগ্রামের বিশ্লেষণ করছ না – তুমি তো শুধু ফেলে দেওয়া খুদকুড়োগুলোকে জড়ো করে রাখছ।’

–তবু … কাজটা তো অনাবশ্যক ঝমেলা বৈ আর-কিছু নয়।

–কত অনাবশ্যক কাজই তো সংসারে হয় – এই যে জন্ম-ইস্তক তুমি তোমার দুর্লভ নামটা বয়ে বেড়াচ্ছ, তার মতো অনাবশ্যক ব্যাপার আর-কিছু আছে নাকি? ছোটোবেলা থেকেই তো দেখছি – তোমার মতো সুলভ-বস্তু আর কিছু নেই। কাকেরা তো বার’কয় তোমার অন্যমনস্ক হাত থেকে জিলিপির ঠোঙা নিয়ে পালিয়েছে! লুডো-খেলায় তুমি কোনোদিন জিততে পেরেছ? চিরকাল ছক্কা চালার সময় তোমার পুট হয়েছে। — বড়োদের হাতের সুখ করবার ইচ্ছে হলে তুমি, শেয়ালের কাউকে কামড়াবার ইচ্ছে হলে তুমি, বেশ করে কথা শুনিয়ে দেবার ইচ্ছে হলেও – হাতের কাছে তুমি তো আছই।’

— ‘তা বটে। তাই তো বলছি এত-বড়ো আহাম্মক হয়েও জীবনের খুদকুড়ো জড়ো করার ব্যাপারটা বেশ বোকা বোকা ঠেকছে যেন!’

— ‘ঠেকাঠেকির কী আছে – তুমি তো জন্ম-আহাম্মক। একটা হেরো। কতকাল ধরে খুব ভালোভাবে হেরে যাওয়া প্র্যাক্‌টিস করে আসছে – তোমাকেই এমন বোকামি মানাবে ভালো।’ নির্লজ্জটা আবার বলে।– ‘ছোটোবেলায় তোমাকেই না শেয়ালে কামড়েছিল, কুকুরে কামড়েছিল, বেড়ালেও নাকি আঁচড়ে দিয়েছিল বার’কয়? শেয়ালে আবার কাউকে কামড়ায়! এ তো শোনাই যায় না বাপু। এ তো একটা যুগান্তকারী ঘটনা! কিন্তু এসব বলতে গিয়ে আবার দেখো, তুমি যা আহাম্মক – সবটাকে আবার লেমনি স্নিকেট-এর মতো ‘ধারাবাহিক দুর্ভাগ্যমালা’ বা ‘এ সিরিজ অব আনফরচ্যুনেট ইভেন্টস্‌’ করে তুলো না যেন।‘

এবার আহাম্মকটা ঝাঁঝিয়ে ওঠে – ‘আহাম্মক আহাম্মক কোরো না তো, কথাটা নিয্যস্‌ সত্যি হলেও বার বার বললে একটু দুঃখ-দুঃখ ভাব হয় যেন। আমি তো এখনই মহা মহা লোকের উদাহরণ দিয়ে দিতে পারি।

একা-বোকাটা হাসল – ‘আহা, রাগ করো কেন? সে উদাহরণ আমিও দিতে পারি। জানো তো গুস্তাভ্‌ ফ্লবেয়ারের কাছে ইডিয়ট হলো তারা – ‘দোজ হু ডিফার উইথ ইউ।’ কিন্তু ডি ফার করার ঠেলা আছে। তুমি তো সকলের সঙ্গে সহমত হবার জন্য বসেই আছ – কোথায় তোমার ফ্লবেয়ার আর কোথায় তুমি! ফুঃ!

আহাম্মকটা হাসল – ‘সে-কথাই তো বলতে যাচ্ছিলাম। তুমি যেখানে-সেখানে কথা গুঁজে দাও কেন বলো দিকি! স্নিকেট-এর লেখা তো হলো গিয়ে ফিক্‌শনাল, গল্প-কাহিনী।’

–‘তোমারটা না-হয় হবে গল্পের মতো। তাইলে আর তোমার এতো সংকোচের কী আছে। ভালো করে ভেবে দেখলে এটা বলতেই হবে – শেয়ালে কামড়ানো খারাপ কিছু নয়, নাও এই বেলা লেগে যাও।’

আহাম্মকটা তবু বলে – ‘কী শেয়াল শেয়াল করেই চলেছ তার ঠিক নেই, শোনো – সেটা শেয়াল ছিল কী-না এখনও কিন্তু তার মীমাংসা হয়নি।‘

–‘ঝগড়া না করে লেগে পড়ো দিকি।’

— ‘তুমি তো খুদ জড়ো করতে বলেই খালাস। কিন্তু খুদ দিয়ে কী হবে বলো – গোটা চালের পুঁজি থাকলে তবে তো খুদের দাম! সে তো আমার নেই, আমাদের ভাঁড়ার সদাই বাড়ন্ত। উপরন্তু খুদের সঙ্গে ধুলো-ময়লা-ধান-কাঁকড় থাকে বিস্তর। খুদ খুদ করে ভারি সমস্যায় ফেললে দেখছি।’

ভেতরে বসে বসে সেই বেহায়া ছ্যাঁচড়াটা লোভ দেখায়, বলে – ‘সমস্যা আর কী? কেউ তো আর শুনছে না। দীর্ঘ দিন আর রাত্রির অন্তহীন পরিক্রমায় বিধ্বস্ত আর সবহারা হয়ে যেদিন আমাদের সন্ততিরা কেঁদে ফিরে আসতে চাইবে ঘরে, সেদিন তারা দেখবে – হাতিশালে হাতি নেই, আছে শুধু মাহুতের ডাঙসগুলো। ঘোড়াশালে ঘোড়া নেই, আছে শুধু শুকিয়ে যাওয়া ঘোড়ার নাদ। দেখবে – সকাল হতে কুয়াশার আস্তরণ আর সরে না, শূন্য-দৃশ্যমানতায় কাছের জিনিসকেও আর দেখা যায় না। দেশলাইয়ের খোপের মধ্যে ঘরটাই নেই, ফুটন্ত ভাতের গন্ধ নেই কোথাও, এতটুকু খুদকুড়ো নেই কোথাও পড়ে। সেদিন তোমারই ডাক পড়বে, সেদিন তোমার এই খুদকুড়োটুকুই কাজে দেবে হয়তো।’

আহম্মকটা মুখ তুম্বা করেই বলে – ‘সে আর-কোনোদিন হওয়ার মতো নয়, বুঝলে। সে ছিল একদিন – তখন বলবার লোক ছিল কম, শোনার লোক ছিল বেশি। এখন কেউ তো শোনে না কিছু। কিন্তু যারা চিত্রনাট্য-অনুযায়ী যে-কথা শোনাতে চায় তাই-ই শুধু শোনে, যে সাবান বা ক্রিম মাখাতে চায় তাই-ই শুধু মাখে, যে পোশাক পরাতে চায় তাই শুধু পরে। কী হবে আজ কাওনের চালে, কী হবে খুদকুড়োয়?’

শতেক অবমাননায় হাড় পেকে যাওয়া নির্লজ্জটা বলে – ‘যদিও তোমার কথাগুলো বেশ সারবান বলেই মনে হচ্ছে – তাইলে আজও ঈশ্বর পাটনিরা দেবী অন্নপূর্ণার কাছে ধনরত্ন ভোগবিলাসের সামগ্রী না চেয়ে তার সন্তানদের একটু দুধে-ভাতে রাখার জন্য প্রার্থনা করে চলুক না কেন। — আমাদের তো শুধু ছিল জ্বরের মুখে অমৃত – মায়ের রান্না করা পোড়ের ভাত।’

–‘আরে থামো থামো, তোমার তো একবার স্বপ্নঘোরে তলিয়ে যাওয়ার দশা দেখতে পাচ্ছি।’ বাধা দেয় আহাম্মকটা।

একা-বোকা বন্ধুটি বলে চলেন – ‘বলো দেখি, তোমার জড়ো-করা খুদকুড়োর মধ্যে কত হারিয়ে যাওয়া দিন-রাত্রি, কত ছেলেখেলা, কত সুখদুঃখ, কত উষ্ণতার প্রহর, কত ঘুম আর স্বপ্ন রয়ে যাবে। যদি এই বেলা জড়ো করে না রাখো কত কিছু চিরতরে হারিয়ে যাবে বলো তো!’

–‘তাইতেই তো ভয় বাপু। খুদকুড়োগুলোর মধ্যে শুধু তো জিনিসপত্র থাকবে না, থাকবে জাদুঘরের ফসিল হয়ে যাওয়া অজস্র মানুষের—’

বোকাটা গলায় জেদ টেনে বলে –‘বলছ বটে, কিন্তু এখন তো শুনছি বাড়িই নাকি মানুষের পরিচয়! ছাড়ো তো, না না, ওসব উৎপাতে কাজ নেই—’

–‘ইদিকে রবি ঠাকুরকে তো খুব মানো দেখি, তিনি যে বলে গেছেন – মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ। এ-বেচারারা পরে বুঝবে কত হুড়ুম্মদে কতটা গুরুম্‌ হয়, কত থাপ্পড়ে হয় কতগুলো মোমবাতি, কোন খোঁয়াড়ে থাকে কতগুলো ছাগল! তাই বলছি – খুদকুড়োগুলোকে ঝেড়েঝুড়ে জড়ো করো। বড্ড দেরি হয়ে যাচ্ছে কিন্তু।’

–‘মানেটা কী হলো বাপু?’

–‘মানেটা যে পরে বুঝলেও চলবে এখনকার মতো এটুকু বুঝলেই হবে। নাও আর দিক্‌ করো না, শুরু করে দাও, বড্ড নিটপিটে স্বভাব বাপু তোমার। কেউ শুনুক না শুনুক, শেয়ালটার কথা, ঘি-দেওয়া পোড়ের ভাতের কথাগুলো আমাদের তো বলে যেতেই হবে। কেমন কী-না?’

আহাম্মকটা ভাবল কী জানি হবেও-বা। একা-একা বোকা-বোকা ছ্যাঁচড়াটা হয়তো একাতর হতে হতে ঠিকই বলছে। সেই যে ভারচন্দ্রের মালিনী মাসি এই-জাতীয় কী একটা যেন বলেছিল – ‘আছিল বিস্তর ঠাট প্রথম বয়সে / এবে বুড়া তবু কিছু গুঁড়া আছে শেষে’ – এইরকম আর কী!

 

তাহাকে শিয়ালে খাইয়াছে

বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের বাক্যাংশটির সঙ্গে সকলেই পরিচিত – এতটা আশা করা না গেলেও অনেকেই জানেন যে, নৌকার যাত্রীদের দ্বিপ্রাহরিক আহার রন্ধনের জন্য যুবক নবকুমার একাকী কাষ্ঠারোহণে গিয়েছিলেন। তাঁর ফিরতে বিলম্ব দেখে প্রথমে যাত্রীদের ‘এইরূপ আশঙ্কা হইল, যে নবকুমারকে ব্যাঘ্রে হত্যা করিয়াছে। সম্ভাব্যকাল অতীত হইলে এই রূপেই তাহাদিগের হৃদয়ে স্থির সিদ্ধান্ত হইল।’ জোয়ার আসার মুখে এক যাত্রী তো বলেই ফেললেন, ‘নবকুমার কি আছে? তাহাকে শিয়ালে খাইয়াছে।’

শেয়াল-পর্বের সময়ে খুবই ছোটো ছিলাম – স্কুলে তো ভর্তি হই-ই নি, বাড়িতে পড়াশুনোও শুরু হয়নি।

সে-সময় বিদ্যুৎ দপ্তরের অফিসের পর থেকে স্টেশন পর্যন্ত রাস্তাটা অত জমজমাট ছিল না। সদ্য ঘরবাড়ি, দোকানপাট গজিয়ে উঠিছল – পূর্ববঙ্গ থেকে আগত মানুষেরা এই অঞ্চলে সবে বসতি স্থাপন করে ব্যবসা-বাণিজ্য শুরু করছিলেন। পাশাপাশি গজিয়ে ওঠা একাধিক কলোনি ছিল এমনই প্রবর্তিত বসতি। তখনও এই পল্লীগুলিতে ইলেকট্রিসিটি আসেনি। অঞ্চলটি তুলনামূলকভাবে নির্জন, পল্লীর পেছনের সীমানা দিয়ে রেললাইন, চারদিকে ঝোপঝাড়, সন্ধ্যার পরেই ঝুপসি অন্ধকার।

সেদিন গ্রীষ্মকাল, বিখ্যাত গা-জ্বালানো কর্কটক্রান্তীয় গরম পড়েছে। দিদিরা ভেতরের বারান্দায় তাদের পড়ার জন্য বরাদ্দ লন্ঠনের চারপাশ ঘিরে পাঠে এবং খুনসুটিতে মত্ত, দাদারা দিদিদের কাছে বসে সুর করে কিশলয়ের ছড়া বলছে, আর আমি তাদের অনতি দূরে খালি গায়ে মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছি। সহসা আমার কান্না এবং আমার দিকে মুখ করে বসে থাকা সেজদির প্রবল আর্তনাদ। — কিছু একটা আমার নাভির-সংলগ্ন কোমরের কাছে কামড়ে দিয়েছে! সেজদির মতে একটা শেয়াল আমাকে কামড়ে মুখে করে নিয়ে যাবার চেষ্টা করছিল, মেজদির মতে জন্তুটা ছিল একটা বড়োসড়ো কুকুর, ছোড়দির মতে সেটা শেয়াল বা কুকুর নয় অদ্ভুত দেখতে একটা জন্তু, কান্না আর চিৎকার শুনে ছুটে আসা প্রতিবেশীরা ছোড়দির বিবরণ থেকে ওটা হায়না হতে পারে বলে রায় দিলেন। আমার কোমরের কাছে দাঁতের দাগ আর রক্তাক্ত ক্ষত দেখে একটা অন্তত বোঝা গেল জন্তুটা আর যাই হোক শ্রীনাথ বহুরূপী নয় – হিংস্র ও মাংসাশি কোনো শ্বাপদ।

নবকুমারকে তো আর সত্যি সত্যি বাঘ বা শেয়ালে খায়নি, তিনি পড়েছিলেন কাপালিকের হাতে, রক্ষাও পেয়েছিলেন, সঙ্গে পেয়েছিলেন কপালকুণ্ডলাকে। এর পরের অধ্যায়ে গিয়ে পড়লাম ডাক্তারবাবুদের হাতে। মা নিয়ে গেলেন হাসপাতালে। প্রথমে অ্যাসিড দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হলো ক্ষতস্থান। তার পর নাভির চারপাশে ইয়া মোটকা সূঁচ দিয়ে চৌদ্দটা ইঞ্জেকশন।

মাকে কী কষ্ট করে যে আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে লজেন্স-টজেন্সের মতো নিষিদ্ধ বস্তু দিয়ে ইঞ্জেক্‌শন দিতে নিয়ে যেতে হতো!

এতদিনে চৌদ্দটা ইঞ্জেকশনের ব্যথা মিলিয়ে যাওয়ারই কথা ছিল। কিন্তু মিলিয়ে যেতে পারল না। বেশ অনেকটা বড়ো বয়স পর্যন্ত যে বা যাঁরাই বাড়িতে আসতেন, সে দিদিদের বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশী কিংবা আত্মীয়-স্বজন – আমাকে দেখলেই সকলে জিজ্ঞেস করতেন – ‘ও, তোমাকেই তো শেয়ালে কামড়ে দিয়েছিল?’

কেউ কেউ বলতেন – ‘ভাগ্যি ওটা শেয়াল ছিল, হায়না হলে কী যে হতো!’

শেষে এমন হলো, সকলেই মেনে নিলেন, যে, হিংস্রতর জন্তুর কামড় খাওয়ার থেকে শেয়ালে কামড়ানোটা একটা ভাগ্যের ব্যাপার।’

শেয়ালে কামড়ানোর এমন সেলিব্রেশন কোথাও কদাপি দেখা যায়নি।

কিন্তু আহাম্মকদের ব্যাপারই আলাদা।

(ক্রমশ)

দুর্লভ সূত্রধর
লেখক | + posts

লেখক ছদ্মনামের আড়ালেই থাকতে চান, তাই ছবি কিংবা পরিচিতি কিছুই দেওয়া গেল না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed